UnishKuri
Web-entertainment-2.jpg

  শিবদুর্গার হ্যাপি অ্যানিভার্সারি  

এই দিনের গুরুত্ব কী? ছেলেরা কি অংশ নিতে পারে এই অনুষ্ঠানে? উত্তর খুঁজলেন সুবর্ণ বসু

শিবের পত্নী সতীর দেহত্যাগের পর মনের দুঃখে আর বিয়ে থা করবেন না বলেই ঠিক করে ফেলেছিলেন দেবাদিদেব মহাদেব। তারপর সে কী কঠিন ধ্যান! ওদিকে হিমালয়ের কন্যা পার্বতীরূপে সতীর পুনর্জন্ম হয়ে গেল, নারদের বুদ্ধিতে সেই মেয়ে ছোট থেকে শিবপুজো করতে করতে শিবকেই মন-প্রাণ-হৃদয় দিয়ে বসে রইল, সেসবে শিবের হুঁশও নেই! মাঝখান থেকে শিবের মনে একটু প্রেম জাগাতে গিয়ে শিবের রাগের আগুনে প্রেমের দেবতা মদনই গেলেন ছাই হয়ে উড়ে। কোথা সে বসন্ত, কোথা সে সন্ন্যাস, তারপর ঠিক আসতেই হল দেবাদিদেবকে পার্বতীর কাছে। পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে পার্বতীর প্রেম সম্বন্ধে নিশ্চিন্ত হয়ে পার্বতীর প্রেম স্বীকার করলেন মহাদেব। যথাসময়ে পালে পালে ভূত-প্রেত-পিশাচের বরযাত্রী নিয়ে এসে বিয়েটিও সেরে ফেললেন লক্ষ্মীছেলের মতো। সেদিন বরের বাঘছাল, ছাইয়ের পাউডার, গলার বিষধর সাপ দেখে অবশ্য শিবের শাশুড়ি মেনকার মুচ্ছো যাওয়ার অবস্থা হয়েছিল, তবে সেসব ইতিহাস।


কে জানে, এখনও হয়তো প্রতিবছরের ফাল্গুনমাসের কৃষ্ণা চতুর্দশীর এই বিবাহবার্ষিকীতে এইসব স্মৃতির কোলাজ উঠে আসে শিব-পার্বতীর মনে। পার্বতী য়খন বলেন, ‘‘উঃ কী রাগ বাবুর! দিলেন মদনকে উড়িয়ে, তারপর রতির কী কান্না!’’
শিব লজ্জা পেয়ে হয়তো বলেন, ‘‘তখন ইয়ং বয়েস, বুঝলে না গিন্নি… তবে তোমারও জেদ কিছু কম ছিল না, আমার ইন্টারন্যাশনাল ড্রেস ছাড়িয়ে ধুতি-টোপর-চাদর নিয়ে বর সাজতে বাধ্য করলে সেই!…’’ তারপর ফিসফিস করে, ‘‘বর সেজে আমায় কেমন লাগছিল তোমার? উঁ?’’
পার্বতীর মুখে লাল আভা খেলে যায়, তিনি আদুরে গলায় বলেন, ‘‘নিজে জানে না যেন! মরণ!’’

শিবরাত্রির পালন
শিবপার্বতীর বিবাহের রাত্রি হিসেবেই বিশ্বাসী মানুষজন এই দিনটিতে উপোস করে থেকে সারারাত চার প্রহরে চারবার শিবপুজো করেন। শিবপুজোর ঝামেলা ঝঞ্ঝাটও কম। শুদ্ধাচারে থেকে শিবলিঙ্গে গঙ্গাজল-দুধ-দই-মধু-ঘি ঢেলে তিনবার ‘‘ওম্ নমঃ শিবায়’’ বললেই বাবার দিল খুশ। আগেকার দিনে ঘরে-ঘরে সারারাত সিনেমা দেখে আড্ডা মেরে হইহই করে শিবরাত্রির রাতে জেগে থাকা হত। খুব সাধারণ ভাবে শিবরাত্রিতে মেয়েরা শিবপুজো করে শিবের মতো বর চেয়ে থাকেন বটে, কিন্তু এই পুজো ছেলেরাও করতে পারে। বলা হয়, এই পুজোয় সাফল্য, কার্যসিদ্ধি, সমৃদ্ধিলাভ হয় এবং অশুভশক্তির প্রভাব থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। পার্বতীরাত্রি বলে যদিও কিছু নেই, তবু কোনও বিশেষ মনস্কামনা নিয়ে ছেলেরাও এই ব্রত করতে পারে। ঠাকুরের কাছে বিশ্বাসীরা অনেক কিছুই চায়, মনের মতো জীবনসঙ্গিনীই বা চাওয়া যাবে না কেন শুনি!


এই দিনের তাৎপর্য
অনেকে আবার বলেন, এই রাতটিই নাকি শিবের তাণ্ডবনৃত্যের রাত, যখন শিব তাঁর নটরাজ অবতারে আবির্ভূত হয়েছিলেন, আবার কেউ বলেন এইদিনেই নাকি শিব তাঁর কণ্ঠে কালকূট বিষ ধারণ করে নীলকণ্ঠ হয়ে সৃষ্টিকে রক্ষা করেছিলেন। তবে যোগগুরুরা বলেন, যোগসাধনার দিক থেকে এই দিনের তাৎপর্য অসীম। কারণ এই দিনেই আদিদেবতার সঙ্গে পরমাপ্রকৃতির মিলন বা সংযোগ হয়েছিল। তাই এই দিন যোগসাধনা বা যোগাভ্যাস করলে তার বিশেষ ফল পাওয়া যায়। মন এবং আত্মাকে সংযম ও নিয়ন্ত্রণ করার সাধনা এই দিনেই সবচেয়ে ভাল ফল দেয় বলে অনেকের বিশ্বাস। কাজেই একথা স্পষ্ট যে, শুধুমাত্র মেয়েদের বলে কিছু নেই। ছেলেরাও ব্রত ও পুজোয় অংশ নিতে পারে স্বচ্ছন্দে, অবশ্যই যদি বিশ্বাস ও ইচ্ছে থাকে।

প্রার্থনা মানে কিন্তু বলা যেতে পারে, কোনও পজ়িটিভ চিন্তার, শুভকামনার মানসিক আবৃত্তি। এর থেকে একটা ভাল এবং সদর্থক কম্পন বা অনুরণন তৈরি হয়। এর ফলে প্রার্থনা আমাদের জীবনকে অনেকটাই ভাল দিকে নিয়ে যেতে সাহায্য করে। বিশেষ করে আজকের কথায় কথায় ডিপ্রেশন বা ফ্রাস্ট্রেশনের যুগে তো প্রার্থনা করা অতি অবশ্যই দরকার। যদি করে দেখার ইচ্ছে থাকে, তা হলে আজ থেকেই শুরু হোক না। কীসে কী হয়, কেউ জানে না। আমরা সবসময় পজ়িটিভ কিছুই ভাবব… সেটাই উচিত, তাই না?

- – - – - – - – - – - – - – - – - – - – - – - – - – - – - – - – - – - – - – - – - – - – - – - – - – - – - – - – - – - – - – - – - – - – - – - – - – - – - –
  মার্সিডিস ট্রোফিতে কলকাতার কারা?  
web4
Mercedes Trophy-র ন্যাশনাল ফাইনালসের জন্য Royal Calcutta Golf Club-এ অনুষ্ঠিত কলকাতা লেগ কোয়ালিফায়ারে নির্বাচিত হলেন কলকাতা থেকে অক্ষয় বাজোরিয়া (হ্যান্ডিক্যাপ ক্যাটেগরি A) এবং সঞ্জয় অজমেরা (হ্যান্ডিক্যাপ ক্যাটেগরি B)।
web2
এই নিয়ে মার্সিডিস ট্রোফি ২০১৮-র ফাইনাল, যা অনুষ্ঠিত হবে পুনেতে, এপ্রিলের ৪-৬ তারিখ— তার জন্য মোট ২৪ জন কোয়ালিফায়ার নির্বাচিত হলেন। কলকাতা লেগ কোয়ালিফায়ারে দিনের সেরা গ্রস উইনার হলেন বেদান্ত কনোরিয়া। এবছর মার্সিডিস ট্রোফির খেলা চলছে ২৭ দিন ধরে, দেশের ১২টি শহর জুড়ে।




- – - – - – - – - – - – - – - – - – - – - – - – - – - – - – - – - – - – - – - – - – - – - – - – - – - – - – - – - – - – - – - – - – - – - – - – - – - – - –
  ‘BEAT 2 MUSIC’-এর উপহার ‘নীড় ভাঙা পাখি’  

আজকে এই প্রেমের দিনে ‘BEAT 2 MUSIC’ নিয়ে এসেছে তাদের প্রথম বাংলা গানের অ্যালবাম ‘নীড় ভাঙা পাখি’। এই অ্যালবামে থাকছে আটটি বাংলা গান। মিউজ়িক অ্যালবামটির সঙ্গীত পরিচালনা করেছেন শ্রীদীপ। বিভিন্ন স্বাদের গান দিয়ে অ্যালবামটি সাজানো হয়েছে। তাতে যেমন আছে মর্ডান বাংলা গান তেমনই নয়ের দশকের ছোঁয়াও থাকছে বেশ কিছু গানে। গানগুলি গেয়েছেন জোজো, মধুরা ভট্টাচার্য, মেখলা প্রমুখ সঙ্গীত শিল্পীরা। গানগুলি রেকর্ড করেছেন রুদ্র। ১৪ ফেব্রুয়ারি বিকেল ৫টায় ‘প্রেস ক্লাব মেন হল’-এ এই অ্যালবামটি লঞ্চ করা হচ্ছে। এই অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে থাকছেন পরিচালক শ্রী অভিজিৎ গুহ এবং শ্রীমতি সুদেষ্ণা রায়। এছাড়াও উপস্থিত থাকছেন শ্রী কুশল চৌধুরী (দক্ষিণেশ্বর কালী মন্দিরের সেক্রেটারি)। অনুষ্ঠানে এই অ্যালবামের সঙ্গীত পরিচালক শ্রীদীপ, সঙ্গীত শিল্পী স্বাগতা দে ও রুদ্রাশিস দত্ত-ও উপস্থিত থাকবেন। ১৫ ফেব্রুয়ারি থেকে সর্বত্র এই অ্যালবামটি পাওয়া যাবে। তাই প্রেমদিবসে ‘BEAT 2 MUSIC’-এর উপহার এই প্রথম মিউজ়িক অ্যালবামের গানগুলি শুনতেই হবে!

- – - – - – - – - – - – - – - – - – - – - – - – - – - – - – - – - – - – - – - – - – - – - – - – - – - – - – - – - – - – - – - – - – - – - – - – - – - – - –

  ভ্যালেন্টাইনস ডে সেলিব্রেশনে ‘চাউম্যান’  

ভ্যালেন্টাইনস ডে আসতে আর মাত্র একদিন বাকি। সারা বছর শপিংমলে, পার্কে এদিক-সেদিক ঘুরে প্রেম করে বেড়ালেও প্রেমদিবসটা কিন্তু এক্কেবারে অন্যরকম করে কাটাতে হবে। এই স্পেশ্যাল দিনটাকে আরও রোম্যান্টিক করে তুলতে ঝটপট দারুণ একটা প্ল্যান করে ফেলো। কিন্তু শুধু প্ল্যান করলেই তো আর হবে না, ট্যাঁকের অবস্থার কথাও তো ভাবতে হবে। এইরকম একটা দিনে একটা ফাটাফটি রেস্তরাঁয় গিয়ে খাওয়া-দাওয়া না করলে পুরো ব্যাপারটাই যে মাটি হয়ে যাবে! তাই ভ্যালেন্টাইনস ডে-কে তোমার সাধ্যের মধ্যে রেখে আরও স্পেশ্যাল করে তুলতে ‘চাউম্যান’ নিয়ে এসেছে তাদের নতুন ‘ভ্যালেন্টাইনস ডে স্পেশ্যাল সেলিব্রেশন’। প্রেমদিবসকে আরও রোম্যান্টিকভাবে সেলিব্রেট করতে ‘চাউম্যান’ নিয়ে এসেছে বেশ কিছু নতুন ডিশ, যেমন লেমন গ্রাস ফ্রাইড রাইস, বাটার গার্লিক ফিস, মাউন্টেন প্রন, চিলি হানি ফিস। এছাড়াও আছে নানারকমের ডেসার্ট। শুধু খাবারের নতুন-নতুন ডিশই নয়, সেই সঙ্গে পাবে এখানকার দারুণ রোম্যান্টিক অ্যাম্বিয়েন্স, ঠিক যেন সেই স্বপ্নের ক্যান্ডেল লাইট ডিনারের মতো। সবচেয়ে ভাল বিষয়টা হল, এতকিছু তুমি পেয়ে যাবে খুব সস্তাতেও। কারণ ভ্যালেন্টাইনস ডে-এর জন্য ১০০০ টাকার বেশি বিল হলে ‘চাউম্যান’ তার উপরে দিচ্ছে ১০ শতাংশ ডিসকাউন্ট এবং এটি ওখানে বসে খাওয়া-দাওয়া করলে তো পাবেই, এছাড়া হোম ডেলিভারি করলেও পেয়ে যাবে এই ডিসকাউন্ট। এখানে প্রতি কাপ্‌লের ন্যূনতম ৮০০ টাকার (ট্যাক্স বাদে) মতো খরচ হতে পারে।

- – - – - – - – - – - – - – - – - – - – - – - – - – - – - – - – - – - – - – - – - – - – - – - – - – - – - – - – - – - – - – - – - – - – - – - – - – - – - –
  ফুড অ্যান্ড লাভ সেলিব্রশনে ‘বনাপেতি’  

প্রেমের এই মরশুমকে সেলিব্রেট করতে ভাল খাওয়া-দাওয়াটা কিন্তু মাস্ট। তাই প্রেমদিবসকে আরও বেশি রোম্যান্টিক ও ডেলিশিয়াস করে তুলতে ‘বনাপেতি’ লঞ্চ করল তাদের ভ্যালেন্টাইনস ডে স্পেশ্যাল মেনু ‘Quesadilla’। এটি আসলে একটি মেক্সিকান মেনু এবং বিভিন্ন রকমের গ্রিল ও স্টাফ্‌ড ফুড আইটেম দিয়ে সাজানো থাকবে এই মেনু কার্ড। এই স্পেশ্যাল ডিশগুলি যেমন রোম্যান্টিক তেমনি হেলদিও। ‘বনাপেতি’ এই নতুন মেনুকে নিয়ে এসেছে হার্ট শেপ্‌ড কনসেপ্টে। এই ‘Quesadilla’-তে থাকছে Mozzarella Basil, Cheddar olive Onion, Tomato Garlic Bell Pepper, Chilli Pineapple Cheese, Cottage Cheese Cilantro, Chicken and Mustard, Egg and Jalapeno, Mango Pepper Chicken, Chocolate Raspberry and Blueberry White Chocolate Quesadillas- এরকম নানা আইটেম। ভালবাসার সিজ়নে ‘বনাপেতি’-এর এই ফুড ফেস্টিভ্যাল চলবে ৭ ফেব্রুয়ারি থেকে ২১ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। তাই প্রেমকে আরও স্পেশ্যাল করে তুলতে এখানে একবার ঘুরে যেতেই হবে।

- – - – - – - – - – - – - – - – - – - – - – - – - – - – - – - – - – - – - – - – - – - – - – - – - – - – - – - – - – - – - – - – - – - – - – - – - – - – - –

  ভ্যালেন্টাইন উইক উপলক্ষ্যে Global Kitchens নিয়ে এল ভ্যালেন্টাইন্‌স স্পেশ্যাল আ লা কার্টে অ্যান্ড কম্বো মেনু, যা পাওয়া যাচ্ছে তাদের কোয়েস্ট মলের বিভিন্ন আউটলেটে, ফেব্রুয়ারির ৭ থেকে ১৪ তারিখ।  

 কিউ থার্টি থ্রি (সকাল ১০টা থেকে রাত ১১টা)  

কোয়েস্ট মলের গ্রাউন্ড ফ্লোরের এই ওপেন গ্যাস্ট্রো কাফে ভাব-ভালবাসার এই সিজ়নে আয়োজন করেছে ব্রেকফাস্ট, লাঞ্চ ও ডিনারে কম্বো মিলের। ব্রেকফাস্ট কম্বোতে থাকবে পারফেক্ট প্যানকেক, ক্রক মসিয়েঁ টোস্ট এবং ক্যাপুচিনো। দাম পড়বে ট্যাক্স বাদে ৪৫০ টাকা। লাঞ্চ এবং ডিনার কম্বোতে ঠাঁই পেয়েছে হার্টি রেড পিমেন্টো এবং টম্যাটো সুপ, মাশরুম চিজ় বল, বাসা লেয়ার্ড উইথ র‌্যাটাটুই এবং স্ট্রবেরি বেস্ড বেভারেজ, ‘ইটারনাল লাভ’। খরচ পড়বে ট্যাক্স বাদে ৮০০ টাকা।


  ক্যাফেচিনো (সকাল ১০টা থেকে রাত ১০টা) 

কোয়েস্ট মলের বেসমেন্টের এই ওপেন এয়ার কাফে-তে একসঙ্গে বেশ কয়েকজন মানুষ বসতে পারেন। এঁদের ভ্যালেন্টাইন আ লা কার্টে-তে থাকছে হট বেভারেজ মোকা ডিলাইট এবং কোল্ড বেভারেজ স্ট্রবেরি ফ্রেসকাটো, বেকারি আইটেম লাভ ভলক্যানো, লাভার্স বল, স্ট্রবেরি ও চকোলেট ফ্লেভারে লাভ ড্রিম কেক। ট্যাক্স সহ দাম পড়বে ৮০ থেকে ২৫০ টাকার মধ্যে। কম্বোতে থাকবে মোকা ডিলাইট, স্ট্রবেরি ফ্রেসকাটো, লাভার্স বল এবং লাভ ভলক্যানো। ট্যাক্স সমেত দাম পড়বে ৩০০ টাকা।


 দ্য কফি বিন অ্যান্ড টি লিভ (সকাল ১০টা থেকে রাত ১০টা) 

লস এঞ্জেল্স বেসড এই কাফে ফ্র্যাঞ্চাইজ়ির আউটলেট আছে কোয়েস্ট মলের সেকেন্ড ফ্লোরে। এদের ভ্যালেন্টাইন ব্রেকফাস্ট কম্বো (নন ভেজ)-তে আছে স্মোকড চিকেন ক্রসাঁ, ডাবল চকোলেট লাটে, পিওর ডাবল চকোলেট আইস ব্লেন্ডেড উইথ অ্যাড অন স্ট্রবেরি সস। ট্যাক্স বাদে খরচ পড়বে ৩৯৯ টাকা। লাঞ্চ কম্বো নন ভেজে থাকবে চিকেন বার্গার, স্পাইসি চিকেন বেরিটো, ডাবল চকোলেট লাটে আইস উইথ অ্যাড অন স্ট্রবেরি সস এবং পিওর ডাবল চকোলেট আইস ব্লেন্ডেড উইথ অ্যাড অন স্ট্রবেরি সস এবং মুজ় কেক। দাম পড়বে ট্যাক্স বাদে ৩৯৯ টাকা। লাঞ্চ কম্বো ভেজের ব্যবস্থাও থাকছে। সঙ্গে থাকছে ভ্যালেন্টাইন্‌স ডে হাই টি কম্বো ভেজও।

 কিউ কোর্ট  

এদের বিস্তারিত মেনু জানানোর আগে বলি একটি লাকি ড্র-র কথা, যা হবে ফেব্রুয়ারির ৭ থেকে ১৪ তারিখ। কিউ কোর্টের ভ্যালেন্টাইন স্পেশ্যাল মেনু থেকে কিছু কিনলেই পাওয়া যাবে এই লাকি ড্র-এর লাকি কুপন, যার বিজেতা ১৪ ফেব্রুয়ারির পর পাবেন ‘সেরাফিনা’-র স্পেশ্যাল পাস। এবার আসি এদের ভ্যালেন্টাইন মেনুর বিবরণে—

  Mezze :  
Sweet Hearts Deal Non Veg Sizzler (Roasted Paprika Chicken, Roasted Potato, Saute Rice & Saute Vegetable).: 249/- + Taxes
Hub Love Veg Sizzler (Grilled Cottage Cheese & Exotic Vegetable, Roasted Potato, Saute Rice & Saute Vegetable.) : 199/- + Taxes

 Desi Streat :  

Valentines Treat Combo ( One Mini size beetroot dosa, 2 pcs of small beetroot idli, & one medium size beetroot uttapam topped with Cheese & Vegetables. Price : 149/- + Taxes
Exotic Love Dream Chaat (Exotic Saute vegetables with curd & sweet chutney) Price : 149/- + Taxes
Love at First Bite Chaat (Paneer Tikki with Rajma) Price : 129/- + Taxes



 Masala Kitchen :  
Aab-e-Hayat Non Veg Sizzler (Non Veg Kebab Sizzler) Price : 349/- + Taxes
Aab-e-Hayat Veg Sizzler ( Veg Kebab Sizzler) Price : 299/- + Taxes

  China South : 
Non Veg : Prawn & Chive Potsticker , Price : 299/- + Taxes
Pepper Chicken Wings , Price : 249/- + Taxes
Veg : Thread Paneer , Price : 229/- + Taxes
Crispy Vegetable with Spicy Schezwan , Price : 199/- + Taxes

  Juices & More :  
Pink Lady Mocktail , Price : 129/- + Taxes

 সেরাফিনা (দুপুর বারোটা থেকে রাত সাড়ে এগারোটা) 

কোয়েস্ট মলের ফিফ্থ ফ্লোরে এঁদের ভ্যালেন্টাইন স্পেশ্যাল মেনুতে থাকছে—

VERDURE CUORE DI BURRO RAVIOLI (Vegetable stuffed heart shape ravioli with spicy butter sauce.) Price : 799/- + Taxes
BURRO DI MONTONE (Mutton stuffed heart shape ravioli with spicy butter sauce.) Price : 799/- + Taxes
PIZZA AMANTE’ (Spicy red capsicum,roasted beet,tomato,onion,mozzarella chesse with tomato sauce.) Price : 599/- + Taxes
PIZZA AMANTE’ POLLO ( PIZZA AMANTE’ POLLO ) Price : 599/- + Taxes
CRESPELLE CON MELA ANANAS (Folded heart shape crepes with apple and pineapple serve with strawberry ice cream.) Price : 399/- + Taxes

 ভ্যালেন্টাইন ডে-র দিন, অর্থাৎ ১৪ ফেব্রুয়ারি সেরাফিনাতে পাওয়া যাবে বিশেষ ব্রাঞ্চ মেনু, যার খরচ পড়বে ট্যাক্স বাদে ১৯৯৯ টাকা। এই মেনুতে যা-যা থাকবে, তা জানালাম নীচে— 

1) Soup (Veg) : Zuppa di Pomodori con crema e basilica ( Creamy Tomato Basil Soup)
2) Soup (Non Veg) : ERBA POLLO E QUESO (Creamy chicken soup with cheddar cheese)
3) Salad Live :
Lettuce : Romaine Lettuce,Iceberg lettuce,Aragula.
Vegetables: Bellpepper,BabyCorn,cucumber,Strawberry,Promogranate,Broccoli,Cherry,Tomato,American Corn, Green & Yellow Zuccini, black olive, Honey Tossed Walnut, Kidney Beans.
Ceaser : Ceasar dressing,Mustard dressing,Pesto mayo dressing, Pomodoro Dressing
Non Veg : Grilled chicken breast,Chicken & Pork Sasuage

4) Antipasti Veg :
Crostini di verdure : Mozzarella gratinated with brunoise of vegetables black olive on ciabatta.
Fritto di patate piccanti : Fried potato wedges tossed with arrabbiata spice serve with cocktail sauce

5) Antipasti Non Veg :
Polpettini Di Pasce : Caper stuffed fish ball tossed with spicy marinara sauce and fresh basil.
Polpette Di Manzo Piccanti : Beef dumpling & bell pepper in tangy sauce

6) Pizza :
Pizza verdure 9″: San marzano tomato, fresh mozzarella & bell pepper, green zucchini, mushroom, broccoli, and black olives.
Pizza BBQ Pollo 9″ : San marzano tomato, fresh mozzarella & bbq marinated chicken with red capsicum and caramelised onion & red chilli flakes.

7) Pasta Live :
Pasta : Penne, Spaghetti, Farfalle, Linguine
Sauce : Arrabbiata, Cream Sauce, Aglio Olio, Pesto
Vegetable: Bellpepper, BabyCorn, Cherry, Tomato, AmericanCorn, Green Peas, Brocoli, Mushroom, Green & Yellow Zuccini
Non Veg : Cube chicken,Chicken & Pork Sasuage

8) Vegetarian Main Course :
Char Grilled Cottage Cheese Steak with gorgonzola Sauce
(Paneer steak served with grilled vegetable and gorgonzola sauce )
Lasagne al forno (Roasted vegetable baked lasagne)

9) Non Vegetarian Main Course :
Petto di pollo grigliato e pepe nero : Grilled chicken breast with black pepper sauce, grilled vegetables and mash potato.
Pollo lasagne al forno : Roasted vegetable baked lasagne

10) Desserts :
BLUE BERRY CHEESE CAKE : Moulded cream flavoured with blue berry
RICH CHOCOLATE TEMPTATION : Rich chocolate fudge slice with chocolate sauce
VANILLA ICE CREAM WITH FRESH STRAWBERRY.

Soft beverages to be served : Fresh lime soda, Virgin mojito, Aerated bevereges

- – - – - – - – - – - – - – - – - – - – - – - – - – - – - – - – - – - – - – - – - – - – - – - – - – - – - – - – - – - – - – - – - – - – - – - – - – - – - –

  আজ, ৩১ জানুয়ারির পূর্ণগ্রাস চন্দ্রগ্রহণ এবং ব্লাডমুন, ব্লু মুন, সুপারমুন-এর গপ্পো  

শুধু পূর্ণগ্রাস চন্দ্রগ্রহণই নয়, সঙ্গে আরও তিনরকমের চাঁদ! ঘটনা কী? ঘটনা ঘটার আগেই বিষয়বস্তু পরিষ্কার করে বোঝার চেষ্টা করছে ১৯ ২০…

পূর্ণগ্রাস চন্দ্রগ্রহণ হল সেই আশ্চর্য মহাজাগতিক দৃশ্যগুলোর মধ্যে একটি, যার জন্য মানুষ অপেক্ষা করে থাকে। চন্দ্রগ্রহণে কী হয়, এ তো আমরা জানি! ভুলে গিয়ে থাকলে মনে করিয়ে দিচ্ছি, এই গ্রহণের সময়ের গোল উজ্জ্বল সুন্দর চাঁদমুখ ধীরে ধীরে অন্ধকারে ঢাকা পড়ে যায়। এই পূর্ণগ্রাস চন্দ্রগ্রহণের সময় পুরো অন্ধকারের বদলে চাঁদের রং হয়ে ওঠে ডার্ক রাস্ট বা ঘন মরচে বা জমাটবাঁধা রক্তের মতো।

  ব্লাডমুন-এর রং সত্যিই লাল!  
কেন এমন রং? কারণ এইসময় সূর্য পৃথিবী এবং চাঁদ এমনভাবে একসরলরেখায় আসে, তাতে সূর্যের আলো পৃথিবীতে বাধা পায় এবং চাঁদ ঢাকা পড়ে যায় পৃথিবীর প্রচ্ছায়া (umbra) তে। এইসময় হয় কী, সূর্যের আলো পৃথিবীর চারদিক দিয়ে পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলের মধ্য দিয়ে অতিক্রম করতে গিয়ে তার বর্ণালী (spectrum)তে ভেঙে যায় (scattered)। আমরা জানি, এতে বর্ণালীর লাল রং সবচেয়ে কম ভাঙে (least scattered), তাই সেই লাল রংটি অবিকৃত ভাবে চাঁদের পৃষ্ঠে পড়ে একটা গাঢ় তামাটে ছায়া তৈরি করে। তখন পূর্ণগ্রাস অবস্থায় চন্দ্রকে বলে ব্লাডমুন।

 তা হলে ব্লু মুনের রং কি নীল? 
না, তা কিন্তু নয়। সেখানে ইংরেজি নামের একটা মজা আছে। খুব কম ঘটে এমন কোনও ঘটনা বোঝাতে ইংরেজিতে ‘Once in a blue moon’ এই ফ্রেজ় বা শব্দবন্ধটি ব্যবহৃত হয়। এই ব্লু মুন মানে খুব বিরল ঘটনা। ইংরেজিতে একটি মাসে দু’বার পূর্ণিমা পড়লে, দ্বিতীয় পূর্ণিমাকে বলে ব্লু মুন। এই ২০১৮ সালের জানুয়ারিতেই, ২ জানুয়ারি তারিখে পূর্ণিমা পড়েছিল, তাই আজ, মানে ৩১ জানুয়ারির পূর্ণিমাটি হল ‘ব্লু মুন’। এর সঙ্গে চাঁদের নীল হয়ে যাওয়ার সম্পর্ক নেই। এই ঘটনা বিরল, কারণ দু’টি পূর্ণিমার মাঝে হিসেব মতো সাড়ে উনত্রিশ দিনের ব্যবধান থাকে। কাজেই যদি মাস একত্রিশে দিনে হয় এবং প্রথম দু’দিনের মধ্যে পূর্ণিমা পড়ে, তবেই আবার মাসের শেষ দিনে পূর্ণিমা হতে পারে। এর ইংরেজি নাম ব্লু মুন বলেই, বিরল ঘটনা-বোধক শব্দবন্ধে এটি পাকাপাকি জায়গা করে নিয়েছে।

 সুপারম্যান জানি, কিন্তু সুপারমুন? 
চাঁদ পৃথিবীকে একটি উপবৃত্তাকার কক্ষপথে পরিক্রমা করে। তাই চাঁদ এবং পৃথিবীর দূরত্ব বরাবর একরকম থাকে না। চাঁদ যখন পৃথিবীর সবচেয়ে নিকটবর্তী হয়, তখন তাকে বলে অনুভূ (perigee) অবস্থান। তখন চাঁদ ও পৃথিবীর দূরত্ব সবচেয়ে কম, ৩,৫৬,৪০০ কিমি। চাঁদ যখন পৃথিবীর সবচেয়ে দূরবর্তী হয়, তখন তাকে বলে অপভূ (apogee) অবস্থান। তখন চাঁদ ও পৃথিবীর দূরত্ব সবচেয়ে বেশি, ৪,০৬,৭০০ কিমি। জেনে রাখা ভাল, চাঁদ ও পৃথিবীর গড় দূরত্ব ৩,৮৪,৪০০ কিমি। কাজেই এটা বোঝা মোটেই শক্ত নয় যে, চাঁদের অনুভূ বা তার বেশ কাছাকাছি থাকাকালীন পূর্ণিমার চাঁদ, চাঁদের অপভূ বা তার বেশ কাছাকাছি থাকাকালীন পূর্ণিমার চাঁদের চেয়ে তুলনামূলকভাবে অনেক বেশি বড় এবং উজ্জ্বল। হিসেব বলছে, অনুভূ-পূর্ণিমার চাঁদ, অপভূ-পূর্ণিমার চাঁদের চেয়ে প্রায় ১৪ শতাংশ বেশি বড় এবং ৩০ শতাংশ বেশি উজ্জ্বল। এতটা পড়ে তোমাদের মনে হতেই পারে, তা হলে আজকের পূর্ণিমা কি অনুভূ-পূর্ণিমা? যদি তা-ই মনে হয়, তা হলে বলব, একেবারে ধরে ফেলেছ বন্ধুরা! কারণ চাঁদ তার অনুভূ অবস্থান পেয়েছিল জাস্ট গতকাল, মানে ৩০ জানুয়ারি, ভারতীয় সময় অনুসারে, ঠিক দুপুর ৩টে বেজে ২৮ মিনিটে। কাজেই আজকে চাঁদের অনুভূ-পূর্ণিমারই দিন, সুতরাং, ব্লাডমুন, ব্লু মুনের সঙ্গে যোগ দিল সুপারমুনও, অর্থাৎ যে পূর্ণিমায় চাঁদ গড়পড়তা পূর্ণিমাগুলোর চেয়ে বেশি বড় এবং বেশি উজ্জ্বল।

 কোথায় দেখা যাবে? 
আজকের এই পূর্ণগ্রাস চন্দ্রগ্রহণ এবং একই সঙ্গে ব্লাডমুন, ব্লুমুন এবং সুপারমুন দেখা যাবে ইউএসএ, উত্তরপূর্ব ইউরোপ, রাশিয়া, এশিয়া, ভারত মহাসাগর, প্রশান্ত মহাসাগর এবং অস্ট্রেলিয়ার বেশিরভাগ অংশ থেকেই। কিন্তু আফ্রিকা এবং দক্ষিণ আমেরিকায় গ্রহণের সময় চলবে দিনের বেলা, তাই সেই জায়গাগুলো এই দৃশ্য থেকে বঞ্চিত হবে।

 গ্রহণের সময়কাল 
ভারতীয় স্থানীয় সময় অনুযায়ী গ্রহণ শুরু হবে বিকেল ৫টা ১৮ নাগাদ, গ্রহণ পূর্ণ হবে ৬টা ২১ মিনিটে, পূর্ণগ্রাস থাকবে সন্ধে ৭টা ৩৭ মিনিট পর্যন্ত। তারপর ধীরে ধীরে চাঁদ বেরিয়ে আসবে পৃথিবীর ছায়া থেকে। মানে গ্রহণ থাকবে ঠিক ১ ঘণ্টা ১৬ মিনিট।

 ইন্টারনেট এবং হোয়াট্‌সঅ্যাপের সত্যি-মিথ্যে 
এই মেসেজ এতদিনে সব জায়গায় ভাইরাল হয়ে গিয়েছে যে, এই ব্লু মুন-সহ পূর্ণগ্রাস চন্দ্রগ্রহণ ঘটছে ১৫২ বছর পর, শেষবার এটি ঘটেছিল ১৮৬৬ সালে। কিন্তু এটা আমেরিকার ঘটনা। এশিয়ার ক্ষেত্রে শেষবার ব্লু মুন-সহ পূর্ণগ্রাস চন্দ্রগ্রহণ ঘটেছিল ৩০ ডিসেম্বর, ১৯৮২-তে, মানে মাত্র ৩৬ বছর আগে।

আজকের এই সুপারমুন দেখতে পাওয়া যাবে সম্পূর্ণ খালি চোখেই। এর পরের পূর্ণগ্রাস চন্দ্রগ্রহণটি হতে চলেছে আগামী ২৭ জুলাই, ২০১৮ তারিখে, কিন্তু সেটি সুপারমুনও নয়, ব্লু মুনও নয়! তাই বন্ধুরা, আর মাত্র কিছুক্ষণ পর সকলের সঙ্গে দেখা হবে ছাদে, তাই তো?
উলটোগুনতি শুরু হয়ে গিয়েছে কিন্তু!

- – - – - – - – - – - – - – - – - – - – - – - – - – - – - – - – - – - – - – - – - – - – - – - – - – - – - – - – - – - – - – - – - – - – - – - – - – - – - –

  ভূত খোঁজার অ্যাপ 

ভূত আছে কি নেই, এই নিয়ে মানুষের আগ্রহ চিরন্তন। চিরকালীন এই কৌতূহলকে জিইয়ে রেখে হইহই করে ১৯ জানুয়ারি প্রকাশিত হয়েছে ১৯ ২০-র ভূতের গল্প সংখ্যা! কিন্তু আমাদের হাতের স্মার্টফোনের অত্যাধুনিক প্লে স্টোরে অবধিও যে ভূত খোঁজার একগুচ্ছ অ্যাপ বসে আছে ঘর আলো করে, সেকথা কি জানো? জানা না থাকলে দেখে নাও এইখানে…

ঘোস্ট ডিটেক্টর প্রো

রেটিং ৩.৮

আশপাশে যত চৌম্বক বিকিরণ হচ্ছে, তাকে শনাক্ত করা যায় এই অ্যাপের সাহায্যে। এই অ্যাপ মোবাইল ডিভাইসের সেন্সরকে কাজে লাগিয়ে চৌম্বক বিকিরণের সোর্সকে খুঁজে বের করে। আমাদের আশপাশেই টিভি, রাউটার, কম্পিউটার, চার্জার, মোবাইল ফোনের মতো হরেক জিনিস থেকে অহরহ চৌম্বক বিকিরণ হতে থাকে। এরকম কোনও চৌম্বক বিকিরণকে খুঁজে পেলে এই অ্যাপ মোবাইল স্ক্রিনের রাডারে সেই বিকিরণের উৎসটিকে একটি সবুজ ডট দিয়ে চিহ্নিত করে। মাত্র ১৪ এম বি-র এই অ্যাপটি পাওয়া যেতে পারে গুগল প্লে স্টোরে।

ঘোস্ট ডিটেক্টর রাডার সিমুলেটর

রেটিং ৩.৮

১৭.৩৯ এম বি-র এই অ্যাপের দাবি, এ শুধু ভূতকে খুঁজেই বের করে না, তার সঙ্গে কথা বলারও সুযোগ করে দেয়। তাও আবার একেবারে বিনামূল্যে! ইনস্ট্রাকশনে বলাই আছে, অ্যাপ চালু করে আশপাশে ঘুরে বেড়িয়ে ভূতের অস্তিত্ব খুঁজে পেলে অ্যাপের মধ্যেই টাইপ করে জানাতে হবে নিজের প্রশ্ন। তারপর অপেক্ষা করলেই পাওয়া যাবে ওপার থেকে উত্তর… স্বয়ং ভূতের মুখে, থুড়ি… হাতে টাইপ করা!

ঘোস্টস

রেটিং ৪.১

মাত্র ৬ এম বি-র এই অ্যাপের মধ্যে ঢোকানো আছে অনেকগুলো দারুণ জিনিস। কীরকম? যেমন ধরো, এতে আছে ম্যাগনেটোফোন, যা অ্যাপের সেন্সর রিডিংকে সাউন্ডে কনভার্ট করে। আছে প্যারানরম্যাল ডিটেক্টর, যা প্যারানরম্যাল অ্যাক্টিভিটির লেভেল শনাক্ত করে। সেইসঙ্গে আছে রাডার ম্যাপ, যা শহরের ম্যাপে কোথা থেকে এনার্জি বেরচ্ছে, তা শনাক্ত করে একেবারে নিখুঁতভাবে! তা ছা়ড়াও আছে ঘোস্ট ফাইন্ডার ও ঘোস্ট ক্যামেরা।

ঘোস্ট সেন্সর- ই এম ফোর ডিটেক্টর

রেটিং ৪.২

এই তালিকায় সবচেয়ে ভারী অ্যাপ এইটাই। ৪৪ এম বি-র এই অ্যাপের জনপ্রিয়তাও তেমনই তুঙ্গে। অনেক খেটেখুটে বানানো এই অ্যাপের ডেভলপাররা নিত্যনতুন আপডেটের মাধ্যমে অ্যাপে জুড়ে চলেছেন নানা ফিচার— ঘোস্ট রাডার, ট্র্যাকার, ক্যামেরা ডিটেক্টর, ইভিপি টুল্স… আরও না জানি কত কী!

তবে, গুগল প্লে স্টোরের এই সমস্ত অ্যাপের সঙ্গেই জুড়ে দেওয়া আছে একটি স্বীকারোক্তি। তাতে অ্যাপগুলোর তরফে বলা আছে, ভূতের অস্তিত্বের আঁচ দিলেও নিশ্চিত ভাবে তারা কোনও সিদ্ধান্তে পৌঁছতে অক্ষম! ফলে কোনও অ্যাপকেই বেশি সিরিয়াসলি না নিয়ে বরং মজা হিসেবেই নিলে ভাল। তোমারও। আর ইয়ে, মানে… তেনাদেরও আর কী! হেঁ হেঁ…