UnishKuri
Web-entertainment-2.jpg

 Life is Beautiful 


 ডিয়ার জ়িন্দেগি 

পরিচালনায়: গৌরী শিন্দে
অভিনয়ে: আলিয়া ভট্ট, শাহরুখ খান প্রমুখ

‘ডিয়ার জ়িন্দেগি’ দেখতে যাওয়া মানেই যদি কেউ মনে-মনে স্থির করে যান যে শাহরুখ-আলিয়ার কেমিস্ট্রি দেখবেন বা আমাদের কিং খান পুরনো অবতারে আমাদের আচ্ছন্ন করে রাখবে, তাহলে বন্ধু ভুল করবে। এই ছবিটা শতকরা ১০০ ভাগ আলিয়া ভট্টর ছবি। এই বয়সে এরকম একটা চরিত্র বাছা আর সেই চরিত্রকে এত সুন্দর করে জাস্টিফাই করা দেখলে সত্যিই আলিয়ার ফ্যান হয়ে যেতে হয়। ছবিতে কায়রা (আলিয়া ভট্ট) একজন সিনেমাটোগ্রাফার। সে কর্মসূত্রে মুম্বইতে থাকে। কায়রার জীবনের প্রবলেম হল কমিটমেন্ট ফোবিয়া। সে কারও সঙ্গে ঠিকঠাক সেট্‌ল করতে পারে না। কায়রার বয়ফ্রেন্ড রঘুবেন্দ্র কায়রাকে ছেড়ে অন্য একজনের সঙ্গে এনগেজমেন্ট সেরে ফেল। এদিকে কায়রাকে তাঁর ল্যান্ডলর্ড অ্যাপার্টমেন্ট ছেড়ে দিতে বলেন। অগত্যা কায়রা ফিরে আসে তার গোয়ার বাড়িতে। গোয়াতে এসে কায়রার সঙ্গে আলাপ হয় মনোবিদ জাহাঙ্গির খানের (শাহরুখ খান)।
মনোবিদের কাছে কাউন্সেলিং করে কায়রা আবার নিজের জীবনকে খুঁজে পায়। কিন্তু এত সুন্দর মনোবিদের সঙ্গে কথা বলতে-বলতে তার কি প্রেমে পড়ে না কায়রা? সেসব প্রশ্ন বন্ধু সিনেমা দেখলে জানতে পারবে। মোদ্দা গল্প হল এই।  কিন্তু এই গল্পটাই সুন্দর করে সাজানো হয়েছে গোয়ার অ্যাম্বিয়েন্সে। অনেকেরই হয়তো কায়রা আর জাহাঙ্গির খানের কথোপকথন টায়ারিং মনে হতে পারে। কিন্তু গল্পের খাতিরে এইটুকু বার্তালাপ না দেখালে মনে হয় চলত না। ছবিটার একটা সুন্দর গতি আছে। এর চেয়ে ছোট হলে হয়তো দর্শক ব্রিদিং স্পেসও পেত না। সব মিলিয়ে ছবিটা দেখলে সত্যিই মনে হবে লাইফ ইজ় বিউটিফুল। 


 
এখনকার জেনারেশনে যেখানে কমিটমেন্ট ইসুটা মুখ্য, সেখানে এই ছবি দেখলে জীবনের প্রতি ইতিবাচক মনোভাব চলে আসে। শেষ করার আগে বলতেই হয় যে হ্যাট্স অফ টু আলিয়া। তিনি না থাকলে হয়তো ছবিটা এত সুন্দর হত না।