UnishKuri
web-to-new-banner.jpg

গান ও আড্ডার মিউজ়িকাল সেশন ‘১৯২০ গানফান’


২১ জুন, ওয়ার্ল্ড মিউজ়িক ডে-তে শুরু হয়েছিল ১৯২০-এর ‘গানফান’ কনটেস্টের যাত্রা। এটি একটি গানের প্রতিযোগিতা। ‘প্রতিযোগিতা’ বলা হলেও এটি আসলে গান, আড্ডা এবং মজায় ভরা একটি অনুষ্ঠান। ২১ জুন আনুষ্ঠানিকভাবে এই প্রতিযোগিতার ঘোষণাটি ১৯২০-এর ওয়েবসাইট এবং ফেসবুক পেজে দেওয়া হয়। সেখানে বলা হয়েছিল এই অনুষ্ঠানে যারা অংশগ্রহণ করতে আগ্রহী তারা নিজেরা একটি করে গানের এভি পাঠাবে। কিন্তু কোনওরকম ক্যারাওকের সঙ্গে গান গেয়ে পাঠালে হবে না, শুধুমাত্র বেসিক কিছু ইনস্ট্রুমেন্ট যেমন হারমোনিয়াম, গিটার, পিয়ানো বা খালি গলায় গান গেয়ে তার এভি পাঠাতে হবে। এভি পাঠানোর শেষ তারিখ ছিল ৫ জুলাই পর্যন্ত। এই ৫ জুলাইয়ের মধ্যে ১৯২০-এর দপ্তরে এসে পৌঁছয় অসংখ্য এভি এন্ট্রি। তার মধ্য থেকে ১৯২০ বেছে নিয়েছে ৪১জন প্রতিযোগীকে, যাদের ১৪ জুলাই ডেকে পাঠানো হয়েছিল প্রিলিমিনারি সিলেকশন রাউন্ডে, মানে অডিশনের জন্য। অডিশনে উপস্থিত ছিলেন সঙ্গীত পরিচালক দোলন-মৈনাক।


১৯২০ দপ্তরে আসা অসংখ্য এভি এন্ট্রি থেকে এই ৪১জনকে বেছে নেওয়াটা কিন্তু বেশ কঠিন ছিল। কারণ যারা এভি পাঠিয়েছেন তারা সকলেই খুবই ট্যালেন্টেড। তাছাড়া প্রতিযোগীদের অনেকের জীবনেই আছে অনেক স্ট্রাগলের গল্প। এদের কেউ হয়তো রুজিরোজগারের জন্য কোনও পাব বা হোটেলে গান গাইছেন, কেউ বা পারিবারিক আর্থিক অস্বাচ্ছন্দ্যের জন্য মিউজ়িকের নেশাকে পেশা করতে ভয় পাচ্ছেন। এইরকম অসংখ্য অজানা, অচেনা ট্যালেন্টকে সবার সামনে তুলে ধরাই হল আমাদের এই ‘গানফান’-এর প্রধান উদ্দেশ্য। এই অনুষ্ঠানে ৪১জন প্রতিযোগীদের থেকে যে ৫ জনকে বেছে নেওয়া হয়েছে যাদের নিয়ে ১৮ জুলাই আয়োজিত হতে চলেছে ফাইনাল ইভেন্টে, মানে ‘১৯২০ গানফান’ লাইভ গান ও আড্ডা সেশন। ফাইনাল ইভেন্টটির আয়োজন করা হয়েছে কলকাতার দ্য অ্যস্টর হোটেলে। এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন সঙ্গীত শিল্পী সিধু। বসবে গান ও আড্ডার এক জমাটি আসর।

dolaan-pageঅনুষ্ঠানটি সরাসরি দেখানো হবে ১৯ ২০-এর ফেসবুক পেজে এবং এর মাধ্যমে প্রতিযোগীদের কণ্ঠস্বর পৌঁছে যাবে সারা বিশ্বের কাছে। তবে শুধু আড্ডাই নয়, এই গানের আড্ডা থেকে চুলচেরা বিচার করে বেছে নেবে প্রথম তিনজন প্রতিযোগীকে। বিজয়ীদের নাম অনুষ্ঠানের দিনই ঘোষণা করা হবে এবং তাদের হাতে ‘১৯২০’ তুলে দেবে আকর্ষক পুরস্কার। তাই এই আড্ডা ও মজায় ভরা মিউজ়িকাল ইভেন্টের সাক্ষী থাকতে চোখ রাখতেই হবে ১৯ ২০-এর ফেসবুক পেজ ও ওয়েবসাইটে… কে বলতে পারে, হয়তো তোমার ঠিক পাশের বাড়ির বাবাই বা বুল্টিকে দেখতে পেয়ে যাবে এই গান ও আড্ডার আসরে!