UnishKuri
Web-entertainment-2.jpg
maidan_strip

বিক্রমের প্যাশন বাইকিং…

তিন বন্ধুর সঙ্গে বিক্রম চট্টোপাধ্যায় ঘুরে এলেন ওড়িশা। কিন্তু খবর তো সেটা নয়। খবরটা হল, তিনি কলকাতা থেকে ওড়িশা পাড়ি দিয়েছিলেন তাঁর শখের বাইক নিয়ে। সঙ্গে ছিল তাঁর আরও তিন বন্ধু। তিনি বললেন, ‘‘আমার ছোটবেলা থেকেই বাইকিংয়ের শখ। চারজন বন্ধু মিলে প্রায় বাইক নিয়ে বেরিয়ে পড়তাম। কিন্তু ১০ বছর আমাদের কোনও যোগাযোগ ছিল না। আবার যোগাযোগ হওয়াতে সবাই মিলে ফিরে গেলাম সেই পুরনো স্মৃতিতে।’’ বিক্রমের প্রথম বাইক ছিল পালসার। এখন শখের বাইক রয়্যাল এনফিল্ড বুলেট নিয়ে কলকাতা থেকে বম্বে রোড ধরে সোজা গিয়েছিলেন বালাসোর। প্রায় সাড়ে ছ’ঘন্টার জার্নি। ভোর-ভোর বেরিয়ে সারা দিন সমুদ্রে ঘুরে আবার সন্ধেতে রওনা হয়ে মাঝরাতে কলকাতায় ফেরা। সিরিয়াল বা ছবির ফাঁকে নিজের শখ মিটিয়ে নিলেন এভাবেই বিক্রম। আবার বাইক নিয়ে বেরিয়ে পড়ার ইচ্ছে রয়েছে। এবার ‘ইচ্ছে নদী’ সিরিয়াল শেষ হওয়ার পরই বাইক নিয়ে লে লাদাখ যাওয়ার পরিকল্পনা করছেন তিনি।

টেলি জুটি রাজা-মধুবনী বিয়ে করছেন ৯ ডিসেম্বর

ডিসেম্বরের কুয়াশামাখা রাত, সময় ১টা হবে। কলকাতা থেকে বেশ দূরে। হাইওয়ে ধাবা। তরকা রুটি খেতে-খেতেই আচমকা প্রপোজ় করলেন মধুবনী তাঁর অনেকদিনের বন্ধু রাজাকে। কোনও সিরিয়াল বা সিনেমার শুটিং নয় কিন্তু। রিয়াল লাইফে মধুবনী ঘোষ এমনভাবেই প্রপোজ় করেছিলেন রাজা গোস্বামীকে। ‘ভালবাসা ডট কম’-সিরিয়ালের সেটেই একে-অপরের সঙ্গে প্রথম দেখা দু’জনের। এই জুটির জনপ্রিয়তাও এই সিরিয়ালের হাত ধরেই। অনেক বছর ধরে একে-অপরের বন্ধু থাকার পর ২০১২-র ডিসেম্বরে মধুবনী প্রপোজ় করেছিলেন রাজাকে, এমন আনইমপ্রেসিভ ভাবেই। সেদিনের ঘটনায় রাজা প্রথমে বেশ হচকচিয়ে গেলেও তাঁর কাছে মধুবনীই ছিল সেরা ভ্যালেনটাইন। রাজার কথায়, ‘‘মধুবনী আমাকে চোখ বন্ধ করে ভালবাসে। আর আমি ছাড়া ওর কোনও চাহিদা নেই। এমন একজন মেয়েকে না ভালবেসে থাকা যায় কি!’’ ৯ ডিসেম্বর গাঁটছড়া বাঁধতে চলেছেন এই সেলেব কাপ্‌ল। গায়ে হলুদ থেকে কালরাত্রি, সামাজিক রীতিনীতি মেনেই হবে এই বিয়ে। কো-স্টার থেকে বন্ধু তারপর বিয়ে! রাজাকে জীবনসঙ্গী হিসেবে মেনে নেওয়ার কারণটা কী? মধুবনী জানালেন, ‘‘রাজা খুবই ধীরস্থির ও গোছানো প্রকৃতির ছেলে এবং ওর মনটাও পরিষ্কার। এমন মানুষকেই জীবনসঙ্গী হিসেবে পেতে চায় যে-কোনও মেয়ে আর তাই রাজাকে পেয়ে আমি দ্বিতীয়বার ভেবে দেখিনি।’’ বিয়ের পর সিরিয়ালে ফিরে যাওয়ার ইচ্ছে থাকলেও আপাতত বিয়ে নিয়েই ব্যস্ত মধুবনী। তার কথায়, ‘‘বিয়ে নিয়ে আমি খুবই এক্সাইটেড। ৮ ডিসেম্বর মেহেন্দি ও আইবুড়ো ভাত। তারপর বিয়ে ও রিসেপশন। এখন আমি জীবনের নতুন অধ্যায়কে এনজয় করতে চাই। সিরিয়াল আগেও করেছি আমি, পরেও করব।’’ মিষ্টি এই জুটির জন্য ১৯ ২০ –এর তরফ থেকে রইল আগাম শুভেচ্ছা।

‘অপুর সংসার’ টিভির পরদায়

আগামী ২৬ জানুয়ারি থেকে জ়ি বাংলায় শুরু হতে চলেছে একটি সম্পূর্ণ নতুন ধরনের কমেডি শো। ‘অপুর সংসার’ নামের এই শোয়ে দেখা যাবে শাশ্বত চট্টোপাধ্যায়, সুদীপা বসু, ফাল্গুনী চট্টোপাধ্যায়, অনির্বাণ ভট্টাচার্য, সঞ্চারী মণ্ডল এবং রঙ্গন কে। সকলের চরিত্রই এক বাড়ির সদস্য। যে বাড়ির সকলেই বেকার। যে কারণে বাড়িভাড়া দেবেন বলে বাড়ির লোকেরা খুঁজছেন ভাড়াটে। সেই ভাড়াটের চরিত্রেই অনুষ্ঠানে মুখ দেখাবেন বিভিন্ন সেলেব্রিটিরা। হাসি-মজায় ভরপুর একদম নতুন এই শো পরিচালনা করছেন ‘মীরাক্কেল’ ও ‘ডান্স বাংলা ডান্স’ খ্যাত পরিচালক শুভঙ্কর চট্টোপাধ্যায়। অনুষ্ঠানে অতিথিরা এলেও ফোকাস থাকবে বাড়ির বাসিন্দাদের জীবনের ঘটনাবলীর উপর। এই প্রথমবার জ়ি বাংলা তাঁদের কোনও অনুষ্ঠানে লাইভ অডিয়েন্সদের নিয়ে আসতে চলেছেন ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে অনুষ্ঠিত প্রতিযোগিতা থেকে। সেদিক থেকেও ‘অপুর সংসার’ টিভির পরদায় দর্শকদের সামনে আসার অনেক আগে থেকেই হয়ে উঠেছে অভিনব।