UnishKuri
Web-career.jpg
maidan_strip

টেস্ট? ভারতের বিরুদ্ধে? ওরে বাবা রে!

ধরমশালায় একদিন বাকি থাকতেই শেষ টেস্ট জিতে অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে সিরিজ়ে জয় পেল ভারতীয় দল। এই নিয়ে পরপর সাতটি টেস্ট সিরিজ় জিতল ভারত, যাঁদের কাছে সেই ২০১৫ সাল থেকে একের পর-এক পর্যুদস্ত হয়ে আসছে শ্রীলঙ্কা, দক্ষিণ আফ্রিকা, ওয়েস্ট ইন্ডিজ়, নিউজ়িল্যান্ড, ইংল্যান্ড এব‌ং বাংলাদেশ টেস্ট দল। এবার সেই তালিকায় ঢুকল অস্ট্রেলিয়ার নামও। আট উইকেটে আজকের ম্যাচ জেতায় ভারতের ঘরে এল বর্ডার-গাওস্কর ট্রোফি। এই মরসুমে ঘরের মাঠে চারবার টেস্ট সিরিজ় খেলল ভারত, জিতলও চারবারই। এমন দলকে অন্য দেশেরা ভয় পাবে না মানে?

ভারতের মেয়ের বিশ্বরেকর্ড

এই সবে খবর পাওয়া গিয়েছিল, বাংলার মেয়ে Jhulan Goswami একদিনের ক্রিকেটে সর্বোচ্চ উইকেটশিকারী হয়েছেন। দেশের মেয়েদের ক্রিকেটে আরও একটা জমজমাট সুখবর এল গতকাল, যখন একসঙ্গে দু’জন মেয়ে গড়ে ফেললেন বিশ্বরেকর্ড। সোমবার দক্ষিণ আফ্রিকার মাটিতে আয়ার্ল্যান্ডের বিরুদ্ধে Deepti Sharma ও Poonam Raut-এর হাতে যে কোনও উইকেটে মহিলাদের একদিনের ক্রিকেটে সর্বোচ্চ রানের পার্টনারশিপের বিশ্বরেকর্ড চলে এল ভারতের ঘরে। দীপ্তি ও পুনম আয়ার্ল্যান্ডের বিরুদ্ধে ওপেন করতে নেমে প্রথম উইকেটে তুলে নেন ৩২০ রান। এর আগে এই রেকর্ড ছিল ইংল্যান্ডের সারা জেন টেলর ও ক্যারোলিন অ্যাটকিনসের ঝুলিতে (২৬৮ রান)। শুধু যে কোনও উইকেটে সর্বোচ্চ রানের জুটিই নয়, এদিন ১৮৮ রান করে আরও এক রেকর্ড গড়েছেন উত্তরপ্রদেশের মেয়ে দীপ্তি। ভারতীয়দের মধ্যে এটাই সর্বোচ্চ রান। পুনম এদিন করেছেন ১০৯ রান। তা ছাড়াও এই দুই কন্যের সৌজন্যে এদিনই প্রথম ওয়ান ডে ক্রিকেটে তিনশোর বেশি রান করলেন মেয়েরা।
পুনঃ নির্ভয়ার ধর্ষকদের মৃত্যুদণ্ড দেওয়ার পরেও দেশের নানা প্রান্তে ধর্ষণ, কন্যাভ্রূণ হত্যার মতো ঘটনা যখন কিছুতেই কমছে না, তার মাঝেই দুই মেয়ের এমন অবিশ্বাস্য কীর্তি দেখলে আনন্দে চোখে জল আসে বই কী! CHAK DE GIRLS!

বদলা নিলেন পি ভি সিন্ধু

ব্যাডমিন্টন বিশ্বের তিন নম্বর, স্প্যানিশ তারকা CAROLINA MARIN-কে হারিয়ে ইন্ডিয়ান ওপেন সুপার সিরিজ় জিতে নিলেন P V SINDHU। রিও অলিম্পিক্সের ফাইনালে এই ক্যারোলিনার কাছেই হার মানতে হয়েছিল সিন্ধুকে। রবিবার যেন সেই হারেরই বদলা নিলেন ভারতীয় ব্যাডমিন্টনের এই মুহূর্তের বেতাজ বাদশা… থুড়ি, বেগম সিন্ধু।
‘বদলা’ শব্দটা এমনি-এমনি ব্যবহার করছি, এমনটা নয়। বরং তার যথেষ্ট কারণ আছে। ব্যাডমিন্টন সার্কিটে চিৎকার-চেঁচামেচি করার জন্য বিখ্যাত ক্যারোলিনা। তাঁর বিরুদ্ধে নামার আগে তাই রিও অলিম্পিক্সের সময়ই সিন্ধুকে চিৎকার করতে শিখিয়েছিলেন কোচ PULLELA GOPICHAND। সেকথা মনে রেখেই রবিবার ক্যারোলিনার হুঙ্কারের পালটা দিতে কোনও কসুর করেননি সিন্ধুও! যা দেখে মনে হতে বাধ্য, সিন্ধু যেন রবিবার কোর্টে নেমেছিলেন প্রতিশোধ নেওয়ার জন্যই। সমানে-সমানে এই প্রতিদ্বন্দ্বিতার শেষে শেষ হাসিও হাসলেন তিনিই। ১৯ ২০-র পক্ষ থেকে তাঁর জন্য রইল অনেক শুভেচ্ছা।