UnishKuri
Web-career.jpg
maidan_strip

১৯৯-এ স্বপ্নভঙ্গ

কেউই চায় না সাধ করে এই ক্লাবে ঢুকতে। তবু যাঁদের যেতে হয়, সারাজীবনের জন্য আফশোস করা ছাড়া তাঁদের অন্য কোনও উপায় থাকে না। কালকের পর থেকে যেমনটা করবেন ম্যাঙ্গালোরের ছেলে কে এল রাহুল। ডাবল সেঞ্চুরি থেকে মাত্র এক রান দূরে যাঁকে কাল ফিরে যেতে হল ড্রেসিংরুমে। যেখানে তাঁর সতীর্থরা সবে উঠে দাঁড়িয়েছিলেন দুশো রানের জন্য রাহুলকে অভিনন্দন জানাবেন বলে। পরিবর্তে নিজের উইকেট খুইয়ে রাহুলকে দেখা যায় দু’হাতে নিজের মাথা চেপে বসে পড়তে। ড্রেসিংরুমে সেসময় স্তব্ধ হয়ে দাঁড়িয়ে আছেন অধিনায়ক কোহলি সহ পুরো ভারতীয় টিম। এর আগে এমনভাবে ১৯৯-এ আউট হয়েছিলেন মহম্মদ আজহারউদ্দিন। রাহুলই দ্বিতীয় ভারতীয়, যিনি এই দুর্ভাগ্যজনক কীর্তির মালিক হলেন। ২০০ করার চাপেই যে তাঁর ফোকাস ন়ড়ে যায়, পরে সাংবাদিকদের সেকথা জানান রাহুল নিজেই।

সপ্তাহে বেতন ৬৭২ কোটি

সপ্তাহে বেতন পাওয়া যাবে ৬৭২ কোটি টাকা। তোমাকে-আমাকে কেউ এমন অফার না দিতেই পারে। কিন্তু বিশ্বের সেরা ফুটবলারকে যদি কেউ অ্যায়সা বিশাল অঙ্ক দিয়ে নিজেদের ক্লাবে নিতে চায়, তাতে আশ্চয্যির কিছু নেই। তা, কোন ক্লাব দিতে চাইছে এত টাকা? ম্যাঞ্চেস্টার সিটি। কাদের থেকে কিনে নিতে চায় তাঁরা লিওনেল মেসিকে? অবশ্যই মেসির বর্তমান ঠিকানা বার্সেলোনার থেকে। আর্জেন্তিনার এই তারকা ফুটবলারকে পাওয়ার জন্য ম্যাঞ্চেস্টার সিটি বার্সাকে ১০০ মিলিয়ন পাউন্ড (ভারতীয় মুদ্রায় ৮২৫ কোটি টাকা) এবং মেসিকে সপ্তাহে ৮০০ মিলিয়ন পাউন্ড (ভারতীয় মুদ্রায় ৬৭২ কোটি টাকা) দিতে চেয়েছে। যদিও মেসি কিংবা বার্সা, কেউই এখনও ম্যান সিটির এই প্রস্তাবে সাড়া দেননি। টাকার অঙ্কটা সত্যিই সাংঘাতিক হলেও মেসি নিশ্চয়ই বার্সা ছেড়ে যাবেন না, এমনটাই আশা বার্সা সমর্থকদের।

বিরাটে মজে বিশ্ব

অধিনায়ক হিসেবে এক ক্যালেন্ডার বর্ষে সবচেয়ে বেশি (চারটি) ডাবল সেঞ্চুরির বিরল কৃতিত্বের মালিক এতদিন ছিলেন মাইকেল ক্লার্ক। ইংল্যান্ডের সঙ্গে চলতি সিরিজ়ের শেষ টেস্টে সেই রেকর্ড ভেঙে দেওয়ার সুযোগ থাকছে বিরাট কোহলির সামনে। ফেসবুকে যাঁকে নিয়ে জোক ঘুরছে, ২০১৬-য় সারা ভারতে একজন লোকই সারা দেশের সবার কপাল চেটেপুটে ভরে নিয়েছেন নিজের পকেটে। বান্ধবী অনুষ্কার সঙ্গে তাঁর সম্পর্কের চাপানউতোরের গল্প কখনও সংবাদপত্রের ফ্রন্ট পেজ স্টোরি হয়েছে, কখনও ঠাঁই পেয়েছে খেলার পাতার শেষে। বিরাটের মনঃসংযোগ আর আগুনে পারফরম্যান্সে কিন্তু কক্ষনও তার ছাপ পড়েনি। বছরভর কখনও অস্ট্রেলিয়া, কখনও ওয়েস্ট ইন্ডিজ়, কখনও নিউজ়িল্যান্ড, কখনও আবার ইংল্যান্ডের বোলারদের নিয়ে, দেশের মাটিতেই হোক আর বিদেশের মাটিতে… জাস্ট ছিনিমিনি খেলেছেন বিরাট! বছরের শেষে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে চার ম্যাচে মোট ৬৪০ রান করে ফেলেছেন। এবছর আইপিএল-এ করেছেন মোট ৯৭৩ রান! সচিনের সঙ্গে তাঁর তুলনা টানা ঠিক হবে কিনা, সেই নিয়ে এই বছরের গোড়াতেই সংশয়ে ছিলেন ক্রিকেট বিশেষজ্ঞরা। আজ সেই তাঁরাই একযোগে ভাবতে বাধ্য হচ্ছেন, এই ছেলে সচিনের কীর্তিও ছাপিয়ে না যায়! অমানুষ! অসম্ভব! অবিশ্বাস্য! অধিনায়কত্বের টুপি মাথায় দিয়ে ব্যাট হাতে যেভাবে তিনি এগোচ্ছেন, তাতে ডিকশনারিতে অমন সমস্ত বিশেষণকেই রিপ্লেস করে দিতে যে তাঁর আর বেশি দেরি নেই— একথা না মেনে কিন্তু উপায় নেই।