UnishKuri
Web-career.jpg

উত্তরখণ্ডে ডাইনোসরের অস্তিত্ব

ঠিক যেন জুরাসিক পার্কে দেখানো টি রেক্স! সম্প্রতি উত্তরাখণ্ডের জসপুরে টি রেক্সের মতো দেখতে এক অদ্ভুত প্রাণীর দেহাবশেষ মিলেছে বলে জানিয়েছে সংবাদ সংস্থা এএনআই। সামনের দুটো পা অনেকটা ছোট। পিছনের সুঠাম পায়ের সঙ্গে রয়েছে লম্বা লেজ। পেট থেকে মাথা পর্যন্ত সামনের দিকে ঝুঁকে এই প্রাণীর মুখটা লম্বা। তবে এই দেহাবশেষটি ঠিক কোথা থেকে পাওয়া গিয়েছে, সে বিষয়ে স্পষ্ট করে কিছু জানানো হয়নি। এমনকী সেটা কোন প্রাণীর দেহাবশেষ বা প্রাণীটির আকার কেমন, তা বিশদে জানা যায়নি। প্রাণীটির পরিচয় জানার চেষ্টা চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। জসপুর পুলিশের এক কর্তা বলেন, “স্থানীয়রা এই অচেনা প্রাণীটিকে ডাইনোসর হিসাবে চিহ্নিত করেছেন। তবে প্রাণীটি ডাইনোসরের মতো দেখতে হলেও সেটির সঠিক পরিচয় এখনও জানা যায়নি। আমরা এ বিষয়ে প্রাণী বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ নিচ্ছি।” জসপুর থেকে পাওয়া এই দেহাবশেষ নিয়ে এখনও কোনও তথ্য না পাওয়া গেলেও দেহাবশেষের প্রকাশিত ছবিটির সঙ্গে টি রেক্সের সাদৃশ্য কিন্তু সত্যিই অবাক হওয়ার মতোই।

দেড়দশকেরও বেশি সময় পেরিয়ে ফের ভারতীয় মিস ওয়ার্ল্ড

১৯৬৬ সালে এশিয়ার মধ্যে ভারতই প্রথম মিস ওয়ার্ল্ডের খেতাব ছিনিয়ে নিয়েছিল। সেবার ডাক্তারির ছাত্রী রীতা ফারিয়া ভারত তথা সমগ্র এশিয়ার ইতিহাসে প্রথম মিস ওয়ার্ল্ড হয়েছিলেন। ঘটনাচক্রে তার ঠিক অর্ধশতক পর সেই খেতাব জয় করলেন আর এক ডাক্তারির ছাত্রী। তিনি মানুষী চিল্লার। হরিয়ানার এই প্রতিযোগী ১০৮ জন প্রতিযোগীকে হারিয়ে মিস ওয়ার্ল্ড ২০১৭ নির্বাচিত হয়েছেন। চিনের সান্যা সিটিতে এ দিন মানুষীর মাথায় বিশ্বসুন্দরীর মুকুট পরিয়ে দেন গত বছরের সেরা পুয়ের্তো রিকো-র স্টিফেনি ডেল ভ্যালে। এই প্রতিযোগিতার প্রথম এবং দ্বিতীয় রানার আপ হয়েছেন যথাক্রমে মিস ইংল্যান্ড স্টেফানি হিল এবং মিস মেক্সিকো আন্দ্রিয়া মেজ়া। জয়ের পর নয়া বিশ্বসুন্দরী বলেন, ‘‘সেই ছোটবেলা থেকে ভাবতাম এমন একটা প্রতিযোগিতায় সেরার শিরোপা ছিনিয়ে নেব। কিন্তু কীভাবে তা জানা ছিল না। স্বপ্নটা আজ বাস্তবের চেহারা পেল। আমি ভীষণই খুশি।’’
১৯৯৭ সালের ১৪ মে হরিয়ানায় এক চিকিৎসক পরিবারে জন্ম মিস ওয়ার্ল্ড মানুষী ছিল্লরের। বাবা মিত্রবসু ছিল্লর ডিফেন্স রিসার্চ অ্যান্ড ডেভলপমেন্ট অর্গানাইজেশনের এক বিজ্ঞানী। আর মা নীলম ছিল্লর ইনস্টিটিউট অব হিউম্যান বিহেভিয়র অ্যান্ড অ্যালাইড সায়েন্সের সহকারী অধ্যাপক। ছোট থেকেই মানুষীর ইচ্ছে ছিল বড় হয়ে চিকিৎসক হবেন। আর-পাঁচটা মেয়ের মতো পড়াশোনাই ছিল তাঁর ধ্যান-জ্ঞান। পরে তাঁর গোটা পরিবার হরিয়ানা থেকে উত্তর দিল্লিতে চলে এলে মানুষী ভর্তি হন দিল্লির সেন্ট থমাস স্কুলে। দ্বাদশ শ্রেণিতে খুব ভাল ফলাফল করে সোনিপাতের ভগতফুল সিংহ সরকারি কলেজ ও হাসপাতালে (মহিলা) ডাক্তারি নিয়ে ভর্তি হন। পড়াশোনার পাশাপাশি বিখ্যাত নৃত্যশিল্পী রাজা রেড্ডি, রাধা রেড্ডি এবং কৌশল্যা রেড্ডির কাছে তাঁর তালিম চলছিল কুচিপুড়ী নৃত্যশৈলীরও।
রীতার পর দীর্ঘ কয়েকদশক ভারত থেকে কেউ ওই খেতাব জেতেননি। শেষে ১৯৯৪-তে ফের বিশ্বসুন্দরীর খেতাব পেয়েছিলেন ঐশ্বর্যা রাই। তার পর ১৯৯৭-এ ডায়না হেডেন, ১৯৯৯-এ যুক্তা মুখী এবং ২০০০ সালে প্রিয়ঙ্কা চোপড়া মিস ওয়ার্ল্ডের শিরোপা পেয়েছেন। তার পর আবারও দেড় দশকের পর মানুষীর হাত ধরেই সেরা সুন্দরীর শিরোপা এল ভারতে।

পাকস্থলী থেকে উদ্ধার ৬৩৬টি পেরেক

গতকাল ৩০ অক্টোবর কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের সার্জারি বিভাগে অস্ত্রোপচার করে উত্তর ২৪ পরগনার গোবরডাঙার বাসিন্দা প্রদীপ ঢালির পাকস্থলী থেকে বের করা হয়েছে ৬৩৬টি পেরেক!
হাসপাতাল সূত্রের খবর, পেটের যন্ত্রণা এবং বমির উপসর্গ নিয়ে গত ২৭ অক্টোবর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি হন তিনি। জেলার হাসপাতালে রোগ ধরা না পড়ায় তাঁকে মেডিক্যালে রেফার করা হয়। চিকিৎসকেরা পরীক্ষা করে দেখেন, তাঁর পাকস্থলীতে শয়ে-শয়ে পেরেক জমে রয়েছে। শল্যচিকিৎসক সিদ্ধার্থ বিশ্বাসের নেতৃত্বে তিন জন চিকিৎসক এ দিন ঘণ্টাদেড়েক ধরে ওই অস্ত্রোপচার করেন। পেটের সব ক’টি পেরেকই বার করা গিয়েছে। বাঁচানো সম্ভব হয়েছে পাকস্থলী এবং অন্যান্য আন্তরযন্ত্রও। প্রদীপবাবুর অবস্থা স্থিতিশীল। দীর্ঘ দিন মানসিক সমস্যার রোগী প্রদীপবাবু প্রতিদিনই একটি করে পেরেক খেয়ে এসেছিলেন। কিন্তু প্রথমে চিকিৎসককে পেরেক খাওয়ার ব্যাপারে তিনি কিছু জানাননি।

আসতে চলেছে রেকর্ড উষ্ণতার গ্রীষ্মকাল

‘ওয়ার্ল্ড মেটিওরোজিক্যাল অর্গানাইজেশন’ (ডব্লিউএমও)-র দাবি, ২০১৬ সালে পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে কার্বন-ডাই-অক্সাইডের ঘনত্ব বেড়ে গিয়েছে রেকর্ড পরিমাণ। পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত ৩০-৫০ লক্ষ বছরে এমনটা ঘটেনি। তাঁরা বলছেন, ‘‘মানুষের তৈরি কারণের পাশাপাশি এল নিনো নামক উষ্ণ সামুদ্রিক জলস্রোতও এর জন্য দায়ী।’’ তবে ফলাফল হতে চলেছে ভয়ঙ্কর। বিজ্ঞানীদের আশঙ্কা, অসহনীয় হয়ে উঠবে গোটা বিশ্বের তাপমাত্রা। মাত্রাছাড়া গরমে হাসফাঁস দশা হবে মানুষের। পৃথিবীর বিভিন্ন প্রান্তের ৫১টি দেশে সমীক্ষা চালিয়ে ২০১৬-র গ্রিনহাউস গ্যাস বুলেটিন বের করেছে ডব্লিউএমও। বিশ্ব উষ্ণায়নের জন্য দায়ী কার্বন-ডাই-অক্সাইড, মিথেন ও নাইট্রাস অক্সাইডের ঘনত্ব মেপে দেখা হয়েছে এবং তাতেই তৈরি হয়েছে আশঙ্কা। কারণ, ২০১৫ সালে বাযুমণ্ডলে কার্বন ডাই অক্সাইডের গড় ঘনত্ব ৪০০ পিপিএম ছিল। ২০১৬ সালে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪০৩.৩ পিপিএম। গত ৩০ বছরে কখনও কার্বন-ডাই-অক্সাইডের ঘনত্ব এক লাফে এতটা বেড়ে যেতে দেখা যায়নি। ১৯৯৭-১৯৯৮ সালে কার্বন-ডাই-অক্সাইডের ঘনত্ব এক ধাক্কায় ২.৭ পিপিএম বেড়ে গিয়েছিল। কিন্তু এ বার সেটা ৩.৩ পিপিএম। গত দশ বছরের গড় বৃদ্ধির থেকে যা প্রায় ৫০ শতাংশ বেশি। আগামী গ্রীষ্মই কি ভেঙে দেবে বিশ্বের সর্বোচ্চ উষ্ণতম ঋতুর এযাবৎ কালের রেকর্ড? আবহবিজ্ঞানীদের আশঙ্কা কিন্তু সেরকমই।