UnishKuri
Web-career.jpg

খুলছে আরও বি এড স্কুল

স্কুলের চাকরির পরীক্ষায় অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ডিগ্রি হল বি এড। সর্বত্র আবশ্যক না হলেও, এই ডিগ্রি অবশ্যই প্রতিযোগী পরীক্ষার্থীদের বাড়তি অ্যাডভান্টেজ দেয় বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায়। কিন্তু সেই তুলনায় বি এড কলেজের সংখ্যা যথেষ্ট না হওয়ায় সব ছাত্রছাত্রী সময়মত বি এডে ঊর্তি হওয়ার সুযোগও পায় না। সেই সমস্যার মোকাবিলা করার কথা ভেবেছে ‘দ্য ন্যাশনাল কাউন্সিল ফর এডুকেশন্যাল রিসার্চ অ্যান্ড ট্রেনিং’ সংস্থা। তাঁরা পশ্চিমবঙ্গসহ দেশের মোট ২৪টি রাজ্যে নতুন বি এড কলেজ খোলার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে, দেশজুড়ে এক লক্ষের মতো, অর্থাৎ মোট শিক্ষকপদের প্রায় ১৬ শতাংশই খালি। পশ্চিমবঙ্গেই শূন্য শিক্ষকপদের সংখ্যা ছয় শতাংশ। এনসিইআরটি-র আঞ্চলিক প্রতিষ্ঠানগুলো আছে ওড়িশা, মেঘালয়, কর্নাটক, রাজস্থান ও মধ্যপ্রদেশে। প্রতিটি প্রতিষ্ঠানেই কম বেশি তিনশোটি করে সিট আছে ইন্টিগ্রেটেড বিএসসি-বিএড, বিএ-বি এড বা শুধু বি এড করার জন্য। এবার অন্যান্য রাজ্যেও এই ধরনের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার সিদ্ধান্ত নিল এনসিইআরটি-র এগ্‌জ়িকিউটিভ কাউন্সিল।

হাতি নিষিদ্ধ ধর্মীয় শোভাযাত্রায়

কেরলের গুরুভায়ুর এবং এই ধরনের আরও কিছু দক্ষিণ ভারতীয় মন্দির বিভিন্ন ধর্মীয় অনুষ্ঠানে রাস্তায় যেসব শোভাযাত্রা বের করে, বহু সুসজ্জিত হাতি ছাড়া সেসব ভাবা মুশকিল। এইসব তামিল মন্দিরগুলোর অধীনে হাতি প্রতিপালন করা হয়, পাশাপাশি উৎসবে-পার্বণে ভাড়াও নেওয়া হয় প্রচুর হাতি। সোনার গয়না সহ নানা অলঙ্কারে সাজানো হয় সেইসব হাতি। কিন্তু এই প্রথা বন্ধ হওয়ার মুখে। পরিবেশ ও অরণ্যমন্ত্রককে চিঠি দিয়ে মানেকা গাঁধী জানিয়েছেন, মন্দিরের নিজস্ব হাতি থাকলে তার জন্য প্রয়োজনীয় চিড়িয়াখানাও থাকা প্রয়োজন। কিন্তু বিপুল সংখ্যক হাতির চিড়িয়াখানা তৈরি করতে গেলে যতখানি জায়গা বা অন্যান্য পরিকাঠামো দরকার হয়, তা মন্দিরগুলোতে অনুপস্থিত। সুতরাং হাতিগুলো চিড়িয়াখানায় জমা দেওয়া ছাড়া গতি নেই। তা ছাড়াও, মন্দিরে হাতি সরবরাহ করার জন্য চোরাশিকারীরাও হাতির শাবক অপহরণ করত এবং মন্দিরে হাতিদের যথেষ্ট কষ্টে থাকতে হত। তাই সব মিলিয়ে এই ব্যবস্থাটিই কাম্য বলে মনে করছেন পশুপ্রেমীরা।

বিজ্ঞানের ম্যাজিকে জলসমস্যার সমাধান

থ্রি ইডিয়টস‌্-র সেই ইডিয়ট, আমির খানের অভিনীত ফুংসুক ওয়াংরু কে নিশ্চয়ই মনে আছে সকলের, যে প্রথাগত শিক্ষার বাইরে গিয়ে ছোট-ছোট বিজ্ঞানের খেলায় আনন্দ এবং শিক্ষা দুটোই ছিল একটি গ্রামের লোকজনকে। লাদাখের সেই ফুংসুক-এর বাস্তব নাম সোনম ওয়াংচুক। তাঁর জীবনের উপর ভিত্তি করেই থ্রি-ইডিয়টস‌্-এ ফুংসুক ওয়াংরু চরিত্রটি তৈরি। জলের যোগানের জন্য বরফের স্তূপ বানানোয় ২০১৬ সালের রোলেক্স অ্যাওয়ার্ড পেলেন ওয়াংচুক। লাদাখের পঞ্চাশ বছর বয়সি এই ইঞ্জিনিয়ার দীর্ঘ দিন ধরেই শুষ্ক আবহাওয়ায় কৃষিকাজের জন্য জলের যোগানের জন্য চেষ্টা চালাচ্ছেন। প্রতি বছরই সাড়ে তিন হাজার মিটার উঁচু কুনলান এবং মধ্য হিমালয়ে গরমের সময় জল সঙ্কট দেখা যায়। ওয়াংচুক লক্ষ করেন শুধুমাত্র জলের সরবরাহের ব্যবস্থা করা গেলেই লাভবান হবেন এলাকাবাসীরা। অনেক ভেবে সোনম ঠিক করেন, হিমবাহের জলকে ধরেই একটা বরফের স্তূপ বানাবেন। কাজটা অবশ্য ততটা সহজ ছিল না। এর জন্য তাঁকে তৈরি করতে হয়েছে উন্নত প্রযুক্তি দিয়ে তৈরি এক নকল হিমবাহ। গ্রীষ্মকালে ধীরে ধীরে সেই স্তূপ গলেই জলের যোগান হবে। এই ভাবে লাদাখে এখনও পর্যন্ত ৩০ মিটার উচ্চতার মোট ২০টি স্তূপ বানিয়েছেন তিনি। গ্রামবাসীদের দান করা মোট ৬৫ হেক্টর জমির উপরে এই কাজ করছেন ওয়াংচুক।

ভূমিকম্পে ক্ষতিগ্রস্ত ইতালির ইতিহাস

৩০ অক্টোবরের ভূমিকম্পে প্রাণহানি না হলেও ক্ষতিগ্রস্ত হল ইতালির ইতিহাস। এই ভূমিকম্প গুঁড়িয়ে দিয়েছে সান বেনেদেত্তো ব্যাসিলিকা-সহ নর্চিয়া শহরের বেশ কিছু প্রাচীন পুরাকীর্তি। ভূমিকম্পে সান বেনেদেত্তো ব্যাসিলিকা এবং সেন্ট মেরি আর্জেন্তিয়া ক্যাথিড্রাল— এই দু’টি গির্জাই প্রায় নিশ্চিহ্ন হয়ে গিয়েছে। চতুর্দশ শতাব্দীতে তৈরি হয় সান বেনেদেত্তো ব্যাসিলিকাটি। আর পঞ্চদশ শতকের নির্মাণ সেন্ট মেরি আর্জেন্তিয়া ক্যাথিড্রাল। ভূমিকম্পে আহতের সংখ্যা কুড়ি। এই দিন নর্চিয়ায় কম্পনের মাত্রা রিখটার স্কেলে ৬.৬। গত ৩৬ বছরে এটাই ইতালির সব চেয়ে বড় ভূমিকম্প বলে মনে করছেন আমেরিকার ভূতাত্ত্বিকরা। তবে ভূমিকম্পের উৎসস্থল মাত্র ১০ কিলোমিটার গভীরে হওয়ার ফলে এ দিনের ভূমিকম্পে কোনও প্রাণহানির খবর মেলেনি। গত ২৬ অক্টোবর ফের একবার জোরদার ভূমিকম্প টের পেয়েছেন ইতালিবাসী।২৬ অক্টোবর এবং ৩০ অক্টোবরের ভূমিকম্পের পর অন্তত আট হাজার মানুষ নিজের বাড়িঘর ছেড়ে আশ্রয় নিয়েছেন কাছাকাছি হোটেলে।