UnishKuri
Web-career.jpg

বিস্ময়কর জন্ম যমজের

২০১৬ সালের অক্টোবরে সেরিব্রাল হেমারেজ হয়ে মস্তিষ্কের মৃত্যু হয় ব্রাজ়িলের ফ্রাঙ্কলিন ডিসিলভার। তখন তাঁর গর্ভের যমজ সন্তানের বয়স তখন মাত্র ৯ সপ্তাহ। আলট্রাসাউন্ড করে দেখা যায় বেঁচে আছ সন্তানদু’টি। স্ত্রীকে হারালেও ফ্রাঙ্কলিনের স্বামী মুরিয়েল পাডিলহা চিকিত্সকদের অনুরোধ করেন মা হতে চলা স্ত্রীকে বাঁচিয়ে রাখতে। তাঁরা এরপর ১২৩ দিন ধরে ভেন্টিলেশনে মায়ের গর্ভে বেড়ে চলে শিশুদু’টি। চিকিত্সক ডালটন রিভাবেমের নেতৃত্বে হাসপাতালের নিউরোলজিক্যাল আইসিইউতে ডাক্তার, নার্স, নিউট্রিশনিস্ট, সাইকোথেরাপিস্টরা ভালবাসা, যত্নে আগলে রাখেন বেবি বাম্প। যাতে নিশ্চিন্তে গর্ভে বেড়ে উঠতে পারে শিশুদু’টি। সাত মাসের গর্ভাবস্থায় সি-সেকশনের মাধ্যমে জন্ম হয় শিশুদু’টির। জন্মের মাসতিনেক পরই ছাড়া পায় তারা।

ক্ষুদ্রতম নক্ষত্র

আমাদের ছায়াপথ মিল্কি ওয়ে গ্যালাক্সিতেই খুঁজে পাওয়া গেল, এই ব্রহ্মাণ্ডের সবচেয়ে ছোট্ট তারা বা নক্ষত্রের। যা আকার, আয়তনে একেবারে আমাদের শনি গ্রহের মতো। এর অবস্থান পৃথিবী থেকে ৬০০ আলোকবর্ষ দূরে। ব্রহ্মাণ্ডের ওই ক্ষুদ্রতম তারা বা নক্ষত্রটির নাম দেওয়া হয়েছে- ‘ইবিএলএম-জে০৫৫৫-৫৭এবি’। গবেষণাপত্রটি ছাপা হয়েছে আন্তর্জাতিক বিজ্ঞান-জার্নাল ‘অ্যাস্ট্রোনমি অ্যান্ড অ্যাস্ট্রোফিজিক্স’-এর সাম্প্রতিক সংখ্যায়। মূল গবেষক, কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতক স্তরের ছাত্র আলেকজান্ডার ভন বোয়েত্তিচার বলেছেন, ‘‘এটাই এই ব্রহ্মাণ্ডের ক্ষুদ্রতম নক্ষত্র। এর চেয়ে ছোট নক্ষত্রের হদিশ এখনও পর্যন্ত মেলেনি। তারাটি যদি এর চেয়ে চেহারায় ছোট হতো, তা হলে তার শরীরে হাইড্রোজেন ফিউশনটাই হতো না। ওই নক্ষত্রটি সে ক্ষেত্রে ধীরে ধীরে বাদামি রঙা বামন নক্ষত্র হয়ে যেত।’’

উড়ানের অপেক্ষায় উপগ্রহ জিস্যাট-১৯

আজ, ৫ জুন, বিকেল ৫টা ২৮ মিনিটে শ্রীহরিকোটা থেকে উৎক্ষিপ্ত হবে ইসরোর তৈরি করা জিএসএলভি-মার্ক থ্রি উপগ্রহ বহনকারী মহাকাশযান। এটিই আজ অবধি নির্মিত সবচেয়ে শক্তিশালী মহাকাশযান। গতকাল দুপুর ৩টে ৫৮মিনিট থেকে শুরু হয়ে গিয়েছে উলটোগুনতি। সম্পূর্ণ দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি এই উপগ্রহবহনকারী মহাকাশযানটি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’ মহাকাশ প্রকল্পের উদ্যোগের অংশবিশেষ। ৪৩ মিটার দৈর্ঘ্য এবং ৬৪০ টন ওজন বিশিষ্ট এই রকেটে ৪ টনেরও বেশি ওজনের উপগ্রহ পাঠানো যাবে মহাকাশে। এর আগে এইভাবে মহাকাশে পাঠানো উপগ্রহের ওজনের সর্বোচ্চ সীমা ছিল ২.২ টন। ২০টন থ্রাস্টের উন্নত সংস্করণ হিসেবে তৈরি ক্রায়োজেনিক ইঞ্জিন ব্যবহার করা হবে উৎক্ষেপণে। এই প্রযুক্তি ভবিষ্যতে আরও ভারী পে লোড বহনে কাজে আসবে। ইসরো জানিয়েছে, এই রকেটে চাপিয়েই পরে মহাকাশে ভারতীয় মহাকাশচারী পাঠানোর পরিকল্পনা রয়েছে। তবে সরকারি অনুমোদনের পরেই সেই পদক্ষেপ করা হবে। সেক্ষেত্রে রাশিয়া, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও চিনের পরে ভারতই হবে চতুর্থ দেশ, যারা মহাকাশে মহাকাশচারী প্রেরণ করতে পারে।

বিশ্বের দ্রুততম লিফ্‌ট চালু করছে চিন

জাপানি সংস্থা হিতাচি তৈরি করছে বিশ্বের দ্রুততম গতির এই লিফ্‌ট। প্রাথমিকভাবে এর গতি ছিল মিনিটে ১২০০ মিটার। এগুলো প্রধানত ব্যবহার করা হবে চিনের আকাশছোঁয়া বহুতলগুলোর জন্যই। কার্যত দেখা গিয়েছে, লিফ্‌টে উঠে বোতাম টেপার সঙ্গে-সঙ্গেই লিফ্‌ট এসে পৌঁছেছে তার নির্দিষ্ট ফ্লোরে, একেবারে কোনও সময় না নিয়েই। প্রাথমিকভাবে এই লিফ্‌টের গতি মিনিটে ১২০০ মিটার করে থাকলেও, চূড়ান্ত পদ্ধতি অতিক্রম করে আসার পর এই লিফ্‌টের বেগ হয়েছে মিনিটে ১২৬০ মিটার। কিন্তু নিয়মিত চলাচলের সময় নিরাপত্তার প্রয়োজনেই গতিবেগ কমিয়ে ১২০০ মিটার প্রতি মিনিট রাখা হবে বলে জানিয়েছে নির্মাতা সংস্থা। ২০১৬ থেকে কাজকর্ম শুরু হলেও প্রথম পরীক্ষামূলকভাবে লিফ‌্‌টটি চালানো হল চিনের গুয়াংজুতে, সিটিএফ ফিন্যান্স সেন্টারে। শুধু গতি নিয়ন্ত্রণই নয়, নিরাপত্তার দিকে বিশেষ নজর দেওয়ার জন্য ব্যবহার করা হবে এয়ারপ্রেশার অ্যাডজাস্টমেন্ট টেকনোলজিও।