UnishKuri
Web-entertainment-2.jpg
মাস্টার ব্লাস্টার সচিন তেন্ডুলকর-এর জীবনের উপর তৈরি ছবি ‘সচিন: আ বিলিয়ন ড্রিমস’ মুক্তি পেতে চলেছে ২৬ মে। তার আগে সচিনকে একান্ত সাক্ষাৎকারে পেল ১৯ ২০…

  ছবিটিতে আপনার অনেক ব্যক্তিগত ব্যাপারও খোলাখুলি দেখানো হয়েছে। কোনটা জনসমক্ষে আনবেন, কোনটা আনবেন না, এই নিয়ে কখনও দ্বন্দ্বে পড়েছিলেন? 

আমি খুব প্রাইভেট পার্সন। তাছাড়া এখানে আমার পরিবারও জড়িত। তাই একটু ভেবেচিন্তে সিদ্ধান্ত নিতে হয়েছে ঠিকই। এই প্রসঙ্গে একটা ঘটনা মনে পড়ছে। একবার একটি টিভি চ্যানেল আমার সঙ্গে আমার বোনকে ডেকেছিলেন একটা অনুষ্ঠানে। কিন্তু ও না করে দেয়! বলে যে, ‘এখন আমি রাস্তায় হেঁটে-চলে বেরাতে পারি, একবার পরদায় এলে আর হবে না সেটা!’ আমার পরিবার যে সবসময় লাইমলাইটে থাকতে পছন্দ করে তা নয়। তাই এতদিন ওরা আড়ালে থেকেই আমাকে সার্পোট করে গিয়েছে।

 আপনি ক্রিকেট জগতের অন্যতম কিংবদন্তি। আপনার ছেলেমেয়েরা এই বিষয়টিকে ছোটবেলা থেকে কীভাবে দেখে এসেছে?

সত্যি বলতে কী, আমার নিজের ছোটবেলা ওদের চেয়ে অনেকটাই আলাদা ছিল। সেখানে সবসময় সবকিছু নিয়ে চর্চায় থাকার ব্যাপারগুলো ছিল না। এগুলো যাতে ওর উপর প্রভাব না ফ্যালে তাই আমি সংবাদমাধ্যম থেকে ওদের যথাসাধ্য আড়াল করে এসেছি। বিশেষ করে অর্জুনকে। যেহেতু ও ক্রিকেট খেলে, তাই আমার সঙ্গে তুলনা টানার একটা ব্যাপার থেকেই যায়, যা ওর উপর বিরূপ প্রভাব ফেলতে পারে।

 ছবিটি দেখার পর সারা-অর্জুনের কী প্রতিক্রিয়া?

আগে আমি ওদের জন্য সময় দিতে পারতাম না, আর এখন ওদের সময় পেতে আমাকে সাধ্য সাধনা করতে হয়! তবে ওরা ছবিটা দেখেছে। এবং দু’জনেরই পছন্দ হয়েছে ছবিটা। সকলেই খুব খুশি। আমার কাছে এটাই সবচেয়ে গুকুত্বপূর্ণ ছিল। কারণ সারা বিশ্বের কাছে আমি যত বড় ক্রিকেটারই হই না কেন, ওদের কাছে তো আমি ওদের বাবা। তাই ওদের পজ়িটিভ রিঅ্যাকশনটা আমার কাছে সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ ছিল।

 ভক্তদের সঙ্গে আপনার সম্পর্ক বা যোগাযোগ নিয়ে ছবিতে কিছু দেখানো হয়েছে কী?
হ্যাঁ, ফ্যানদের সঙ্গে আমার মিটিংয়ের একটা অংশ দেখানো হয়েছে ছোট করে। আসলে মাঠের বাইরের, মানে ড্রেসিং রুমের সচিনকে খুব একটা দেখানো হয়নি ছবিতে।

ছবিটি দেখে প্রথমবার নাকি আপনি বেশ ইমোশানাল হয়ে পড়েছিলেন?
হ্যাঁ, তবে শুধু প্রথমবার নয়। কিছুদিন আগে ‘ইন্ডিয়ান আর্মড ফোর্স’-এর জন্য ছবিটার স্ক্রিনিং করা হচ্ছিল। সেখানেও আমি খানিকটা ইমোশানাল হয়ে পড়েছিলাম। আমার মনে হয় এই ইমোশনটা দর্শকরাও ধরতে পারবেন। আমি ছবিটা মোট কুড়িবার দেখে ফেলেছি।

More Interviews

cc

কলকাতায় ক‌্যাটরিনা কাইফ আর সিদ্ধার্থ মলহোত্র! ‘বার বার দেখো’র প্রমোশনে এসে এই তারকা জুটি এবং ছবির পরিচালক নিত‌্য মেহরা-র কথায়-কথায় উঠে এলো বেশ কিছু ইন্টারেস্টিং কথা… সাক্ষী ছিল ১৯ ২০!

cc

নিজের প্রথম বলিউড ছবি, হৃতিক রোশনের বিপরীতে কাজ করার অভিজ্ঞতা, মিস ইন্ডিয়া থেকে মহেঞ্জো দাড়ো অবধি যাত্রা, সমস্ত কিছু নিয়ে পুজা হেগড়ে কথা বললেন শ্রাবন্তী চক্রবর্তীর সঙ্গে।

cc

‘ঈগলের চোখ’ ছবিতে নামীদামী অভিনেতাদের পাশাপাশি একটি নতুন মুখও আমরা দেখতে পেয়েছি,যে দর্শকদের মধ্যে ইতিমধ্যেই বেশ সাড়া ফেলে দিয়েছে। মিষ্টি সেই মেয়েটির নাম রিয়া বণিক। বাংলা বিভিন্ন পত্রপত্রিকার পাতা, এবং বিশেষ করে ‘১৯ ২০’-র পাতা উল্টোলেই যাকে এতদিন আমরা মডেল হিসেবে দেখে এসেছি। মডেলিং থেকে অভিনয়, এই নতুন পথটা রিয়ার জন্য কেমন ছিল সেই গল্পই শুনে নিলেন মৌমিতা সরকার।

cc

“‘ক্ষত’র মতো ছবি ইদানীংকালের বাংলা সিনেমায় হয়নি” ‘প্রাক্তন’ ছবি দুরন্ত জনপ্রিয়তার সঙ্গে-সঙ্গেই মুক্তি পাচ্ছে কমলেশ্বর মুখোপাধ্যায়ের ‘ক্ষত’, দু’টিতেই প্রধান চরিত্রে তিনি… ছোটপরদায় মানুষ রোজ চুম্বকের টানে দেখছেন তাঁর ‘মহানায়ক’, সব মিলিয়ে তিনিই এখন টক অফ দ্য ইন্ডাস্ট্রি। (Prosenjit Chatterjee) প্রসেনজিত্‌ চট্টোপাধ্যায়ের সঙ্গে সব কিছু নিয়েই কথা বললেন সুবর্ণ বসু

1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 >