UnishKuri
Web-entertainment-2.jpg
নাকাশ আজ়িজ় এমনই এক নাম, যাঁর কণ্ঠস্বর এখন বলিউড থেকে মরাঠি, গুজরাটি, বাংলা সব মিউজ়িক ইন্ডাস্ট্রিতেই আমরা শুনতে পাচ্ছি। শাহরুখ খান, সলমন খান থেকে ‘সচিন সচিন’— মারাঠি গানেও এখন তাঁর আধিপত্য। নিজের রেকর্ডিংয়ের মাঝে একটু অবসর সময়ে তাঁর ব্যক্তিগত ও সঙ্গীতজীবন নিয়ে নাকাশ আজ়িজ় আড্ডা দিলেন মৌমিতা সরকারের সঙ্গে।

অনেকেই বলেন নাকাশ আজ়িজ় নাকি মিকা সিংহের কপি পেস্ট, কেমন লাগে এই ধরনের সমালোচনা শুনতে?
মিকা সিংহ একজন খুবই বড় মাপের শিল্পী, ওঁকে আমি খুবই শ্রদ্ধা করি। কিন্তু আমি মিকার মতো গান গাই, এটা শুনতে সত্যি ভাল লাগে না। আমি ছোটবেলা থেকেই উদিত নারায়ণ, সোনু নিগম— এঁদের খুব ভক্ত। এঁদের কারও সঙ্গে একটু-আধটু মিল খুঁজে পেলে বেশি ভাল লাগত। কিন্তু কী আর করা যাবে! আসলে আমি সব সময়ই চেয়েছি নিজের মতো করে গান গাইতে, যেখানে গানে আমার নিজস্ব কণ্ঠ থাকবে এবং শ্রোতারা আমার কণ্ঠস্বরকেই চিনতে পারবে। তবে আমি খুবই খুশি যে ইতিমধ্যেই আমার বেশ কিছু গান শ্রোতারা খুব পছন্দ করেছেন। আরও অনেক কাজ এখনও করার ইচ্ছে আছে এবং নিজের মতো করেই গানগুলো গাইতে চাই।

আপনার এখনও পর্যন্ত মিউজ়িক্যাল জার্নিটা কেমন ছিল?
জার্নির কথা বলতে হলে বলব, অনেক স্ট্রাগল করেছি। অনেক সময়ই অনেক ফ্রাস্টেশন, ডিসঅ্যাপয়ন্টমেন্ট এসেছে, কিন্তু ধীরে-ধীরে সেটা কাটিয়ে উঠেছি। ছোটবেলা থেকেই আমার বাড়িতে একটা সঙ্গীতের পরিবেশে আমি বড় হয়ে উঠেছি। আমার বাবা শাস্ত্রীয় সঙ্গীতশিল্পী ছিলেন। বাবার কাছেই আমার সঙ্গীত শিক্ষার শুরু। এরপর বড় হওয়ার সঙ্গে-সঙ্গে গান নিয়েই ভাবনাচিন্তা শুরু করতে থাকি। একটা সময় অবশ্য মনে হয়েছিল মিউজ়িক নিয়ে বোধ হয় আমার আর কোনও ভবিষ্যৎ নেই। আমি হয়তো ঠিক এসবের জন্য তৈরি হইনি। কারণ আমার সমসাময়িক যারা ছিল আমি ঠিক তাদের মতো করে ভাবতে বা চলতে পারছিলাম না। বাকিরা যে ভুল ছিল আমি একথা বলছি না, আমিই হয়তো তখন ঠিক তৈরি ছিলাম না। ফলে আমি তখন মিউজ়িককেই প্রফেশন হিসেবে বেছে নেবে, এইরকম ভাবনা ছেড়ে নিজের কেরিয়ার অন্যরকমভাবে তৈরি করার চেষ্টা করছিলাম। কিন্তু আমার ডেস্টিনেশন বোধহয় মিউজ়িকই ছিল। তাই আবার ঘটনাক্রমে ঘুরে-ফিরে আবার এখানেই ফিরে আসি। আমি প্রথম জীবনে বেশ কিছু জিঙ্গল্‌সের কাজও করেছি। এরপর সৌভাগ্যক্রমে আমি অনেক ভাল সুযোগ পাই। এখনও পর্যন্ত অনেকের সঙ্গে কাজ করেছি, কিন্তু এখানেই থামতে চাই না, নিজে কম্পোজ় করতে চাই এবং আরও অনেক মিউজ়িক কম্পোজ়ারের সঙ্গে কাজ করতে চাই।

আপনি তো ‘রকস্টার’, ‘হাইওয়ে’, ‘রান্ঝনা’ প্রমুখ সিনেমায় এ আর রহমানকে অ্যাসিস্টও করেছেন, সেই অভিজ্ঞতা কেমন ছিল?
এটা আমার জীবনের একটা লাইফটাইম এক্সপেরিয়েন্স ছিল। খুব ভাল ছিল সেই অভিজ্ঞতা। অনেক কিছু শিখতে পেরেছি রহমান স্যারের কাছে থেকে। একজন ভাল শিল্পী হওয়ার সঙ্গে-সঙ্গে উনি খুব ভাল একজন মানুষও।

আপনি ইতিমধ্যেই বিভিন্ন ভাষায় গান গেয়েছেন, মরাঠি, গুজরাটি, বাংলা। এর মধ্যে বাংলা ছবিতেও প্লেব্যাক করতে কেমন লেগেছে?
আমি ইতিমধ্যেই অনেকগুলো বাংলা ছবিতে প্লেব্যাক করেছি। এখানে জিৎদার (জিৎ গঙ্গোপাধ্যায়) সঙ্গে অনেক কাজ করেছি, খুব ভাল লেগেছে বাংলা গান গাইতে। এখন মুম্বইতেই বাংলা ছবির মিউজ়িকের অনেক কাজ হয়, টেকনিক্যালি অনেক উন্নত হয়েছে এখন বাংলা মিউজ়িক ইন্ডাস্ট্রি।

More Interviews

cc

মাস্টার ব্লাস্টার সচিন তেন্ডুলকর-এর জীবনের উপর তৈরি ছবি ‘সচিন: আ বিলিয়ন ড্রিমস’ মুক্তি পেতে চলেছে ২৬ মে। তার আগে সচিনকে একান্ত সাক্ষাৎকারে পেল ১৯ ২০…

cc

কলকাতায় ক‌্যাটরিনা কাইফ আর সিদ্ধার্থ মলহোত্র! ‘বার বার দেখো’র প্রমোশনে এসে এই তারকা জুটি এবং ছবির পরিচালক নিত‌্য মেহরা-র কথায়-কথায় উঠে এলো বেশ কিছু ইন্টারেস্টিং কথা… সাক্ষী ছিল ১৯ ২০!

cc

নিজের প্রথম বলিউড ছবি, হৃতিক রোশনের বিপরীতে কাজ করার অভিজ্ঞতা, মিস ইন্ডিয়া থেকে মহেঞ্জো দাড়ো অবধি যাত্রা, সমস্ত কিছু নিয়ে পুজা হেগড়ে কথা বললেন শ্রাবন্তী চক্রবর্তীর সঙ্গে।

cc

‘ঈগলের চোখ’ ছবিতে নামীদামী অভিনেতাদের পাশাপাশি একটি নতুন মুখও আমরা দেখতে পেয়েছি,যে দর্শকদের মধ্যে ইতিমধ্যেই বেশ সাড়া ফেলে দিয়েছে। মিষ্টি সেই মেয়েটির নাম রিয়া বণিক। বাংলা বিভিন্ন পত্রপত্রিকার পাতা, এবং বিশেষ করে ‘১৯ ২০’-র পাতা উল্টোলেই যাকে এতদিন আমরা মডেল হিসেবে দেখে এসেছি। মডেলিং থেকে অভিনয়, এই নতুন পথটা রিয়ার জন্য কেমন ছিল সেই গল্পই শুনে নিলেন মৌমিতা সরকার।

1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 >