UnishKuri
web-to-new-banner.jpg
Career Counselling

ফ্যাশন ডিজ়াইনিং  
 
এই মুহূর্তে ক্রিয়েটিভ ডিজ়াইনিংয়ের মাধ্যমে সরাসরি গ্ল্যাম ওয়ার্ল্ডের সঙ্গে যুক্ত হওয়ার অন্যতম আকর্ষক পেশাই হল ফ্যাশন ডিজ়াইনিং। এই পেশা-সংক্রান্ত কিছু জরুরি ইনফো দিচ্ছে ১৯ ২০।
আজকের দিনে সকলেই তাদের পোশাক-আসাক, লেটেস্ট ট্রেন্ড, কোনটা ইন, কোনটা আউট এসব নিয়ে বেশ সচেতন। তার উপর অনেকেই আবার চলতি কোনও একটা ট্রেন্ড অনুসরণ করার বদলে একটা নিজস্ব ট্রেন্ড চালু করতেই বেশি আগ্রহী। সেখান থেকেই এসেছে ‘ফ্যাশন ডিজ়াইনিং’। নতুন ট্রেন্ড ভাবার সৃজনশীলতা এবং কল্পনাশক্তিই হল এই পেশায় আসার প্রধান শর্ত। টেকনিক্যাল শিক্ষা তো রয়েছেই, তবে ক্রিয়েটিভিটির কোনও বিকল্প এই পেশার ক্ষেত্রে নেই।
মনে রাখতে হবে, ফ্যাশন ডিজ়াইনিং মানে কিন্তু শুধুমাত্র গ্ল্যামারাস সেলেব্রিটিদের জন্যই কাজ করা নয়, সেন্স অফ স্টাইল কিন্তু আনা যায় সব ধরনের পোশাকেই। যথাসম্ভব বেশি সংখ্যক মানুষের কাছে নিজেকে গ্রহণযোগ্য করে তোলার মধ্যেই কিন্তু একজন ফ্যাশন ডিজ়াইনারের সার্থকতা লুকিয়ে থাকে।
ফ্যাশন ডিজ়াইনিং বিষয়ে কাজ করার প্রধান ক্ষেত্রগুলোই হল কাপড়, বিভিন্ন পোশাক-আসাক অর্থাৎ টেক্সটাইল্‌স ডিজ়াইনিং। ভারতের ক্ষেত্রে ফ্যাশন ডিজ়াইনিং নিয়ে কাজ করার কিছু বাড়তি সুবিধে আছে, তার কারণ হল বিভিন্ন ধরনের সিল্ক বা রেশম, ট্র্যাডিশনাল হ্যান্ডলুম ফেব্রিক, রাস্টিক টেক্সচারে কাজ করতে পারার সুযোগ। ভারতের এই ধরনের কাজগুলোর চাহিদা সারা পৃথিবীতেই রয়েছে। এই কারণেই আমাদের দেশের টিন জেনারেশন ফ্যাশন নিয়ে কেরিয়ার করার ব্যাপারে দিন-দিন খুব বেশি আগ্রহী হয়ে উঠছে।

কাজের ধরন

ফ্যাশন ডিজ়াইনারের কাজই হল চলতি ট্রেন্ডের বিভিন্ন আকর্ষক ভ্যারাইটি তৈরির মাধ্যমে ক্রেতা বা ক্লায়েন্টদের আকৃষ্ট করা। শুধুমাত্র লেটেস্ট ট্রেন্ডের কাজই নয়, মার্কেট কন্ডিশন এবং আবহাওয়ার ধরন বুঝেও ড্রেস মেটিরিয়াল নির্বাচন করতে হয়। মাথায় রাখতে হয় ফিটিং, স্টাইল, কালার, টেক্সচার এবং মেটিরিয়ালের কথাও।
যে পোশাকটি তৈরি করতে হবে, সেটি প্রথমে স্কেচ করতে হয়।
তারপর এর বিভিন্ন অংশগুলো সঠিক সাইজ়ে একটি কাগজের উপর এঁকে কেটে নিতে হয়। সেগুলো সেলাই করে কোনও মডেল বা ম্যানিকুইনের গায়ে ফিট করে কি না দেখে নেওয়ার পর আসল ফেব্রিকের পোশাকটি তৈরি করা শুরু হয়।
প্রাথমিকভাবে শেখার সময় কাগজ দিয়েই ট্রায়াল হয় বিভিন্ন পোশাকের। তারপর কাপড়ের সাহায্যে ফাইনাল স্ট্রাকচার তৈরির সময় দেখে নিতে হয় ফেব্রিক, উইভ, ড্রেপিং কোয়ালিটি, মেটিরিয়াল কালার এবং ডিজ়াইন।

ফ্যাশন ডিজ়াইনিং-এ কাজের রকমফের
ফ্যাশন ডিজ়াইনিংয়ের পেশায় অনেক ধরনের কাজের আলাদা-আলাদা বিভাগ রয়েছে। প্রাথমিকভাবে সাধারণ প্রশিক্ষণ নেওয়ার পর বিভিন্ন বিভাগের জন্য আলাদা করেও প্রশিক্ষণ নেওয়া যায়। এই পেশার অন্তর্গত দপ্তরগুলো হল,
ডিজ়াইন ডিপার্টমেন্ট : এটি হল প্রধানত ম্যানুফাকচারিং ইউনিট। এই বিভাগে যেসব পদে কাজ করা যায়, সেগুলো হল ডিজ়াইনার, কাটিং অ্যাসিসট্যান্ট, স্কেচিং অ্যাসিসট্যান্ট, জুনিয়র ডিজ়াইনার ইত্যাদি। এদের মাধ্যমেই বড় স্কেলে ডিজ়াইনার গারমেন্টস ম্যানুফাকচার করা হয়।

মার্কেটিং এবং মার্চেন্ডাইজ়িং : আজকের দিনে ফ্যাশনের ট্রেন্ড প্রতিমুহূর্তেই পালটাচ্ছে। তাই মার্কেটিং এবং মার্চেন্ডাইজ়িং বিভাগেও চলতি ফ্যাশন সম্বন্ধে যথেষ্ট ওয়াকিবহাল থাকা প্রয়োজন। শুধু তাই নয়, পাশাপাশি সেল্‌স ডেটার উপর নজর রেখে মার্কেটিং অবজেক্টিভ তৈরি করার দায়িত্বও থাকে এই বিভাগের কর্মীদের উপর। এঁরাই বিভিন্ন প্রডাক্টের দাম, প্রয়োজনীয়তা, চাহিদা মাথায় রেখে প্রয়োজনীয় ইনপুট পৌঁছে দেন স্টাইলিং ডিপার্টমেন্টের কাছে।

ম্যানুফাকচারিং : ম্যানুফাকচারিং বিভাগটি চলে প্রডাকশন ম্যানেজারের অধীনে। তাঁর দায়িত্বে থাকে কাজের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা, কর্মীদের প্রশিক্ষণ দেওয়া এবং প্রডাকশনের কোয়ালিটি বজায় রাখা। কাজের প্রত্যেকটা পর্যায়ই প্রডাকশন ম্যানেজারকে কমবেশি নজরে রাখতে হয়।

ফ্যাশন কো-অর্ডিনেটর : এটিও ফ্যাশন ইন্ডাস্ট্রির একটি গুরুত্বপূর্ণ পদ। এঁদের কাজ হল ক্রেতা এবং প্রডাকশন ম্যানেজারের মধ্যে কো-অর্ডিনেট করা। প্রডাকশন শেডিউল ঠিকমতো মেনে চলা, ক্রেতাদের পছন্দ অনুযায়ী ফেব্রিক, কালার, ডিজ়াইন এবং কোয়ালিটির উপর নজর রাখাই এদের প্রধান কাজ। এঁরা অনেকসময় ক্রেতাদের পছন্দ অনুযায়ী ডিজ়াইনার ওয়্যার এবং উপযুক্ত অ্যাকসেসরিজ়ও সাজেস্ট করে দেন। প্রডাকশনের ক্ষেত্রেও ক্রেতাদের ফিডব্যাক ফ্যাশন কো-অর্ডিনেটরদের মাধ্যমেই আসে।

কাজের প্রয়োজনীয় অ্যাপটিটিউড
প্রথম থেকেই যে-কোনও আইডিয়া স্কেচ করে দেখানোর দক্ষতা বা অ্যাপটিটিউড গড়ে তোলা খুবই প্রয়োজনীয়। খুব দক্ষ শিল্পী হওয়ার প্রয়োজন নেই, তবে কালার, শেড এবং টোন নিয়ে কাজ করা বা ম্যাচিং-মিক্সিং করার সেন্স থাকাটা জরুরি। পাশাপাশি কাগজে-কলমে যা আঁকা বা প্ল্যান করা হল, থ্রি-ডাইমেনশনে তার ভিসুয়ালাইজ়েশন কেমন হবে, সেই বোধটাও ফ্যাশন ডিজ়াইনারের থাকতে হয়।
এই পেশায় ভাল করতে হলে শুধু ভাল শিল্পী হলেই হবে না। রীতিমতো পড়াশোনা করে চলতি ফ্যাশন ট্রেন্ডের খোঁজখবর রাখার প্রয়োজন হয়। একজন ফ্যাশন ডিজ়াইনারকে বাণিজ্যিক সাফল্য পেতে হলে অবশ্যই আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রের ফ্যাশন জার্নাল, ম্যাগাজ়িন বা টিভি চ্যানেলে নিয়মিত চোখ রাখতে হয়। শুধু তাই নয়, শিল্প এবং ইতিহাসভিত্তিক নানারকম মিউজ়িয়াম বা প্রদর্শনী থেকেও তাকে নানারকম আর্ট ফর্ম কালেক্ট করার প্রয়োজন হতে পারে। আবার ডিজ়াইনার হিসেবে নিজেকে আরও উন্নত করে তোলার জন্য প্রাথমিক টেলরিং-এর কাজও, যেমন, কাটিং, সিউয়িং, ড্রেপিং ইত্যাদিও তাকে শিখে রাখার প্রয়োজন হয়। এসব কিছুর পর, ডিজ়াইনারের কমিউনিকেশন স্কিলও খুব ভাল হওয়ার দরকার হয়, যাতে সে তার কাজ এবং আইডিয়া স্পষ্ট করে ক্রেতাদের কাছে তুলে ধরতে পারে।

বিভিন্ন সুযোগ সুবিধে
ফ্যাশন নিয়ে কাজ করলে যে ধরনের কাজ করার সুবিধে পাওয়া যায়, সেগুলো হল
১. বিভিন্ন এক্সপোর্ট হাউস, যেখানে গারমেন্টস, টেক্সটাইল্‌স বা হ্যান্ডলুম নিয়ে কাজ হয়।
২. রিটেল এবং হোলসেল গারমেন্টের ব্যবসার ক্ষেত্রে ডিজ়াইনার।
৩. ফ্যাশন শো অর্গানাইজ়ার বা ফ্যাশন পাবলিশার।
৪. বিভিন্ন ফ্যাশন প্রোগ্রামের নিজস্ব কস্টিউম ডিজ়াইনার ইত্যাদি ভূমিকায় কাজের সুযোগ পাওয়া যায়।

বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান
১. ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ ফ্যাশন টেকনোলজি, কলকাতা
এনআইএফটি ক্যাম্পাস, এল এ ব্লক, (১৬ নং জলের ট্যাঙ্কের কাছে)
সেক্টর থ্রি, সল্ট লেক সিটি
কলকাতা ৭০০০৯৮
ওয়েবসাইট : www.niftindia.com
ই মেল : [email protected]

৩. রানি বিড়লা গার্লস কলেজ
ড. সুনন্দা মিত্র রায়
৩৮, শেক্সপিয়ার সরণি
কলকাতা ৭০০০১৭
ওয়েবসাইট : www.rbgc.in
ই মেল : [email protected]

৫. অণিমা ইনস্টিটিউট অফ ফ্যাশন
১ শম্ভুনাথ পণ্ডিত স্ট্রিট
কলকাতা ৭০০০২০

৬. ন্যাশনাল টেকনো ইনস্টিটিউশন
১১৪/২বি, হাজরা রোড
কলকাতা ৭০০০২৬
ওয়েবসাইট : www.nationaltechno.org
ই মেল : [email protected]

৭. ইন্টারন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ ফ্যাশন ডিজ়াইন (আইএনআইএফডি)
আইএনআইএফডি ক্যাম্পাস, ২০এ লিন্ডসে স্ট্রিট,
হুমায়ুন কোর্ট, সেকেন্ড ফ্লোর
কলকাতা ৭০০০৮৭
ওয়েবসাইট : www.inifd.com
ই মেল : [email protected]

৮. উইগান ফ্যাশন স্কুল
উইগান অ্যান্ড লে কলেজ (ইন্ডিয়া) লিমিটেড,
৪০১-৪০২ স্কিপার কামার
৮৮, নেহরু প্লেস
নয়া দিল্লি ২১০০১৯
কলকাতা শাখা : ৪১ হাজরা রোড
কলকাতা ৭০০০১৯

৯. দ্য ভবানীপুর গুজরাতি এডুকেশন সোসাইটি
৫ লালা লাজপত রায় সরণি
কলকাতা ৭০০০২০

১০. পার্ল অ্যাকাডেমি অফ ফ্যাশন
সি-৫৬/২, ওখলা ইন্ডাস্ট্রিয়াল এরিয়া, ফেজ়-২
নয়াদিল্লি ২১০০২০

২. নর্থ ইস্ট ইনস্টিটিউট অফ ফ্যাশন টেকনোলজি
বোরা সার্ভিস, বাইলেন জি এস রোড, গুয়াহাটি
অসম ৭৮১০০৭
ওয়েবসাইট : www.neift.com
ই মেল : [email protected]

৪. অ্যামিটি স্কুল অফ ফ্যাশন টেকনোলজি
অ্যামিটি ক্যাম্পাস, সেক্টর ১২৫
নয়ডা ২০১৩০৩
ওয়েবসাইট : www.amity.edu
ই মেল : [email protected]


শিক্ষাগত যোগ্যতা

অ্যানিমেশনে ডিপ্লোমা বা ব্যাচেলর ডিগ্রি পেতে হলে যে-কোনও স্বীকৃত বোর্ড বা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে উচ্চ মাধ্যমিক বা সমতুল পরীক্ষায় অন্তত ৪৫ শতাংশ নম্বর নিয়ে পাশ করতে হবে। আ্যনিমেশনে পোস্ট গ্র্যাজুয়েট ডিগ্রি পাওয়ার জন্য যে-কোনও বিষয়ে স্নাতক হলেই চলে, তবে আর্টসের ছাত্রছাত্রীরাই এ ব্যাপারে অগ্রাধিকার পায়। তবে ছাত্রছাত্রীদের কম্পিউটার এবং প্রযুক্তি বিষয়েও কিছু প্রাথমিক জ্ঞান থাকা আবশ্যক।

তবে কিছু ক্ষেত্রে কোনও-কোনও প্রশিক্ষণকেন্দ্র বা অ্যানিমেশন-সংস্থা, যেমন, ইন্ডাস্ট্রিয়াল ডিজ়াইন সেন্টার (আইডিসি), ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অফ ডিজ়াইন (এনআইডি) বা ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অফ টেকনোলজি (আইআইটি), এরা পোস্ট গ্র্যাজুয়েট কোর্সের জন্য শুধুমাত্র আর্কিটেকচার, টেকনোলজি, ফাইন আর্টস এবং ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের ছাত্রছাত্রীদেরই প্রশিক্ষণের আওতায় নিয়ে থাকে।

 
কেরিয়ারের সুযোগসুবিধে
বর্তমানে ভারতে গেমিং ইন্ডাস্ট্রি (কম্পিউটার গেম্‌স এবং মোবাইল গেম্‌স) যেভাবে দ্রুত উন্নত এবং বিস্তৃত হচ্ছে, তাতে দেখা যাচ্ছে যে, আগামী কয়েকবছরের মধ্যে এই ইন্ডাস্ট্রিতে বহু লক্ষ কাজের সুযোগ তৈরি হবে, যা ভবিষ্যত অ্যানিমেটরদের পক্ষে খুবই আশার কথা। অ্যানিমেটরদের কাজ ছড়িয়ে পড়ছে নতুন প্ল্যাটফর্ম অ্যান্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেমের সর্বত্রই। তৈরি হচ্ছে নতুন-নতুন কাজের ক্ষেত্র এবং সুযোগ। অ্যানিমেশন বা মাল্টিমিডিয়ার কাজকর্ম শিখে যেসব জায়গায় কাজ করা যায়, সেগুলো হল, বিনোদন (মুভি ও টেলিভিশন), ব্যবসাবাণিজ্য (প্রোডাক্ট প্রোমোশন এবং মার্কেটিং ডেমো), সেল্‌স (প্রেজ়েন্টেশন), শিক্ষা (কম্পিউটার-ভিত্তিক বা ওয়েব-ভিত্তিক টিউটোরিয়াল), প্রকাশনা (গ্রাফিক্স এবং প্রিন্টিং), ওয়েব ডিজ়াইনিং, ইঞ্জিনিয়ারিং, বিজ্ঞাপন (কমার্শিয়াল ও প্রিন্ট অ্যাড), ফ্যাশন এবং ইন্টিরিয়র ডিজ়াইনিং, কম্পিউটার এবং মোবাইল গেম ডিজ়াইন, স্টুডিয়ো এবং ট্রেনিং ইনস্টিটিউট-এ প্রশিক্ষণ দেওয়া ইত্যাদি।

কয়েকটি প্রশিক্ষণকেন্দ্রের নাম

১. এরিনা অ্যানিমেশন (পার্ক স্ট্রিট)
কোহিনুর বিল্ডিং, দ্বিতীয় তল
১০৫ নং, পার্ক স্ট্রিট
(পার্ক স্ট্রিট এবং লাউডন স্টিরিটের ক্রসিংয়ে, সেন্ট জ়েভিয়ার্স কলেজের কাছে)
কলকাতা-৭০০০১৬

২. এরিনা অ্যানিমেশন (কাঁকুড়গাছি)
পি-২৮, মানিকতলা মেন রোড (কাঁকুড়গাছি আইল্যান্ড এবং রেলব্রিজের মাঝখানে)
কাঁকুড়গাছি, কলকাতা-৭০০০৫৪

৩.
ডিজিটাল এশিয়া স্কুল অফ অ্যানিমেশন
১২এ, ক্যামাক স্ট্রিট, ঊষাকিরণ বিল্ডিং, দশম তল, কলকাতা ৭০০০১৭
ই মেল : [email protected]
ওয়েবসাইট : www.dasaglobal.net

৪. টুন্‌জ় ওয়েব্‌ল অ্যাকাডেমি
ব্লক বিপি, প্লট ৫, সেক্টর ৫, বিধাননগর সল্ট লেক, কলকাতা-৭০০০৯১
ওয়েবসাইট : www.toonzwebelacademy.com

৫. ডিজিটাল ম্যাজিক অ্যানিমেশন অ্যাকাডেমি
৪১, শরত্‌ বোস রোড, দ্বিতীয় তল, কলকাতা-৭০০০২০
ই মেল : [email protected]
ওয়েবসাইট : www.digitalmagic.in

৬. দ্য অ্যাকাডেমি অফ অ্যানিমেশন আর্টস অ্যান্ড টেকনোলজি (এএএটি)
শ্রাচি টাওয়ার, ৬৮৬, আনন্দপুর, পঞ্চম তল
কলকাতা-৭০০১০৭
ই মেল : [email protected]
ওয়েবসাইট : www.animationacademyindia.com

৭. অ্যানিমাস্টার
৬০এ, মুখার্জি এস্টেট, পঞ্চম তল
চৌরঙ্গি রোড, লালা লাজপত রায় সরণি
কলকাতা- ৭০০০২০
ই মেল : [email protected]
ওয়েবসাইট : www.animaster.com

৮. ফ্রেমবক্স অ্যানিমেশন
১৮এ, পার্ক স্ট্রিট, ২১ স্টিফেন কোর্ট
থার্ড ফ্লোর, (মিউজ়িক ওয়র্ল্ডের উপরের তল)
কলকাতা-৭০০০৭১
ই মেল : [email protected]

৯. মায়া অ্যাকাডেমি অফ অ্যাডভান্সড সিনেম্যাটিক্স (MAAC)
৬বি, যতীন্দ্র মোহন অ্যাভিনিউ (গিরিশ পার্ক মেট্রো স্টেশনের কাছে)
কলকাতা-৭০০০০৬
ই মেল : [email protected]


যে সব জায়গায় প্রয়োজনীয় কোর্স করানো হয়

কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়, যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়, বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়, কল্যাণী বিশ্ববিদ্যালয়, রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয় এবং বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়, সব জায়গাতেই জার্নালিজ়মের উপর স্নাতক, স্নাতকোত্তর বা ডিপ্লোমা কোর্স করানো হয়।

কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে যেসব কলেজে স্নাতক স্তরে জার্নালিজ়ম পড়ানো হয় :
মুরলীধর গার্লস কলেজ, আচার্য প্রফুল্লচন্দ্র কলেজ, সাউথ ক্যালকাটা গার্লস কলেজ, শেঠ আনন্দরাম জয়পুরিয়া কলেজ, আশুতোষ কলেজ, সুরেন্দ্রনাথ কলেজ ফর উইমেনস, লোরেটো কলেজ, চারুচন্দ্র কলেজ। বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে পোস্ট গ্র্যাজুয়েশন বা ডিপ্লোমা কোর্সও আছে। বিস্তারিত জানতে লগ ইন করো: www.caluniv.in-এ।
এছাড়া যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে থেকে ডিপ্লোমা কোর্সও করা যেতে পারে।
ওয়েবসাইট: www.jadavpur.edu

রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ে দু’বছরের এম.এ কোর্স করানো হয়। পাশাপাশি একবছরের ডিপ্লোমা কোর্সও করানো হয়।
ওয়েবসাইট: www.rabindrabharatiuniversity.net

এর পাশাপাশি কিছু বেসরকারি সংস্থা থেকেও কোর্স করা যেতে পারে :

দ্য জর্জ টেলিগ্রাফ ট্রেনিং ইনস্টিটিউট
১৩৬, বিপিন বিহারী গাঙ্গুলি স্ট্রিট
কলকাতা-৭০০০১২
এক বছরের পোস্ট-গ্র্যাজুয়েট ডিপ্লোমা ইন মাস কমিউনিকেশন
ওয়েবসাইট:www.georgetelegraph.org

সিকিম মানিপাল ইউনিভার্সিটি(এস এম ইউ)
পি ২১এ, ওল্ড বালিগঞ্জ রোড
কলকাতা-১৯
দু’বছরের বি এ কোর্স ইন জার্নালিজ়ম
ওয়েবসাইট: www.smude.edu.in

টিভি জার্নালিজ়ম

ইন্সটিটিউট অফ জার্নালিজ়ম অ্যান্ড মিডিয়া ম্যানেজমেন্ট
২/২ নিমর্লচন্দ্র স্ট্রিট,
কলকাতা-৭০০০১২

এন এইচ এস এম নলেজ ক্যাম্পাস
১২৪, বি এল সাহা রোড
কলকাতা-৭০০০৫৩

রাজ্যের বাইরে যে সব প্রতিষ্ঠান রয়েছে:

জে এন ইউ (জওহরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয়), নয়াদিল্লি
ওয়েবসাইট: www.iimc.nic.in

জামিয়া মিলিয়া ইসলামিয়া, নয়াদিল্লি
ওয়েবসাইট: jmi.nic.in


ফিটনেস প্রশিক্ষণ

যোগাসন বা ব্যায়ামের পাশাপাশি সহজে কাজ হাসিল করার জন্য অনেকেই শরণাপন্ন হচ্ছেন মাল্টি জিমের। জিমনাশিয়ামের আধুনিক রূপটিই হল ‘জিম’। এখানেও প্রয়োজন হয় ফিটনেস ট্রেনিং প্রফেশন্যালদের। এখানে যোগাসন বা ব্যায়ামের বিশদ প্রশিক্ষণের কোনও স্কোপ নেই। এখানে ব্যায়াম-সহায়ক মেশিনগুলোর ব্যবহার ভাল করে জেনে রাখতে হয়। একজন তিরিশ বছরের বেশি বয়সী মানুষের দেহের বাড়তি ফ্যাট ঝরানোর উপায় যেমন বলে দিতে হয়, তেমনই একজন আঠেরো-উনিশ বছর বয়সী ছেলে কীভাবে সিক্স প্যাক তৈরির রাস্তায় হাঁটবে, তা-ও শেখাতে হয় ফিটনেস ইনস্টাকটরদের। তাই এদের কাজের জায়গাটি অনেকটাই বিস্তৃত।

দরকারি পড়াশোনা
ফিটনেস প্রশিক্ষণের কাজ করতে গেলে মানুষের শরীর নিয়ে কিছু নির্দিষ্ট পড়াশোনাও করে রাখতে হয়। মানুষের শরীরের বিভিন্ন অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ, শারীরস্থান বা অ্যানাটমি নিয়ে পড়াশোনা না করলে কাজের ক্ষেত্রে সমস্যা হয়।

একজন ফিটনেস এক্সপার্টের কাজ হল, একজন ক্লায়েন্টের জন্য উপযুক্ত ফিটনেস প্রোগ্রাম বানিয়ে দেওয়া। এখন সেই ফিটনেস প্রোগ্রামের সঙ্গে কিন্তু সেই ধরনের ব্যায়ামের সঙ্গে উপযুক্ত ডায়েটের আউটলাইনও। সেই ডায়েট অনুসারে খাওয়া-দাওয়া করে চললেই তবে জিম করার পুরোপুরি ফল পাওয়া যায়। তাই ফিটনেস ইনস্ট্রাকটরকে নিউট্রিশন বা পুষ্টিবিজ্ঞান এবং ডায়েটেটিক্স নিয়েও বেসিক পড়াশোনা শিখতে হয়।

ক্লায়েন্টকে সম্পূর্ণ সুস্থ এবং সুরক্ষিত লাইফস্টাইলের রাস্তা দেখাতে গেলে ইনস্ট্রাকটরকে একসঙ্গে অনেকগুলো অ্যাসপেক্ট মনিটর করেই এগোতে হয়।

ফিটনেস ট্রেনিংয়ের তিনটি প্রধান ধরন
১. গ্রুপ ফিটনেস ইনস্ট্রাকটর : যাঁরা কোনও গ্রুপকে বা ক্লাবে বা ক্লাসরুমে এক-একটি দলকে ফিটনেস প্রশিক্ষণ দেন।
২. এক্সারসাইজ় স্পেশালিস্ট : এঁরা ফিজ়িশিয়ানের প্রয়োজন অনুযায়ী ব্যায়াম শিখিয়ে থাকেন। সাধারণত বিভিন্ন রোগীরা তাঁদের রোগ সারানোর জন্য নির্দিষ্ট ব্যায়াম শেখার জন্যই এঁদের কাছে আসেন।
৩. পার্সোনাল ট্রেনার : এই ধরনের ট্রেনাররা কোনও প্রতিষ্ঠানে ফিটনেস ট্রেনিংয়ের জন্য আসা প্রতিটি মানুষকে আলাদা করে প্রশিক্ষণ দিয়ে থাকেন। ক্লায়েন্ট স্যাটিসফ্যাকশন এঁদের কাজের একটি প্রধান শর্ত।

ফিটনেস ট্রেনিংয়ের কোর্স
ভারতের বড়-বড় শহরে এখন গড়ে উঠেছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র পরিচালিত ফিটনেস ট্রেনার তৈরির সংস্থা ‘আমেরিকান কাউন্সিল অন এক্সারসাইজ়’ বা এসিই। এখানে ফিটনেস ট্রেনিংয়ের কোর্স করানোর পর ট্রেনারদের সার্টিফিকেট দেওয়ারও ব্যবস্থা আছে। তিন ধরনের কোর্স হল,
১. দ্য এসিই গ্রুপ ফিটনেস ইনস্ট্রাকটর সার্টিফিকেশন
২. এসিই ক্লিনিক্যাল এক্সারসাইজ় স্পেশ্যালিস্ট সার্টিফিকেশন
৩. এসিই লাইফস্টাইল অ্যান্ড ওয়েট ম্যানেজেমন্ট কনসালট্যান্ট সার্টিফিকেশন
এছাড়াও, ভারতের গোয়ালিয়রে ‘লক্ষ্মীবাই কলেজ অফ ফিজ়িক্যাল এডুকেশন’ থেকে ফিজ়িক্যাল এডুকেশনের উপর ব্যাচেলর বা মাস্টার্স ডিগ্রি করানো হয়। বিএফওয়াই স্পোর্টস আ্যন্ড ফিটনেস (বেঙ্গালুরু, মুম্বই, পুনে)-এর মতো সংস্থা থেকেও নানারকম ওয়ার্কশপের মাধ্যমে ট্রেনিং এবং সার্টিফিকেট দেওয়া হয়ে তাকে।

যোগাসন শিক্ষার কেন্দ্র
ভারতের দু’টি বিখ্যাত যোগাসন শিক্ষার কেন্দ্র হল,
১. কৈবল্যধাম য়োগা ইনস্টিটিউট
লোনাভলা
ওয়েবসাইট : www.kdham.com
এখানে যোগবিজ্ঞান নিয়ে দার্শনিক এবং বৈজ্ঞানিক গবেষণা করার যেমন সুযোগ আছে, তেমনই শেখার সুযোগ আছে য়োগিক হেল্‌থকেয়ার, অর্থাত্ যোগাসনকে কাজে লাগিয়ে শরীরকে সুস্থ রাখার ফান্ডা।
কৈবল্যধামের গোর্ধনদাস সেকসারিয়া কলেজ অফ য়োগা অ্যান্ড কালচারাল সিন্থেসিস
এখানে বিভিন্ন সার্টিফিকেট কোর্সের সঙ্গে এম ফিল, স্কুলশিক্ষকদের য়োগা ট্রেনিং, য়োগা থেরাপি ও এডুকেশনের উপর ডিপ্লোমা কোর্স এবং আরও অনেক স্পেশ্যালাইজ়ড কোর্সের ব্যবস্থা আছে।

২. প্রণব যোগধাম
৬৬৪, সেভেন্থ মেন রোড
মহীশূর
কর্ণাটক ৫৬০০১৭
এখানে টিচার ট্রেনিং কোর্স, য়োগা থেরাপি কোর্স ছাড়াও আরও অনেক ধরনের স্পেশ্যালাইজ়ড সার্টিফিকেট কোর্স প্রোগ্রামের ব্যবস্থা আছে।
ওয়েবসাইট : www.mysoreyoga.org

.
.
.
.
.
.
.
.
.
.
.
.
.
.
.
.
.
.