UnishKuri
Web-entertainment-2.jpg
সারকামসিশন অপারেশন ঝুঁকিবহুল নয় তো?

আমার বয়স ২১ ও আমার বয়ফ্রেন্ডের বয়স ২৫। দু’মাস আগে আমরা প্রথম ইন্টারকোর্স করি। তার কিছুদিন পর আরও দু’বার শারীরিকভাবে মিলিত হই। প্রতিবারই আমার ভ্যাজাইনাতে ও ওর পেনিসে খুব ব্যথা লাগে। মেডিক্যাল চেকআপে আমার কোনও ত্রুটি ধরা পড়েনি। কিন্তু ডাক্তার আমার বয়ফ্রেন্ডকে সারকামসিশন অপারেশন করতে বলেছেন অথচ আমার ব্যথার কারণ কী, কীভাবে তার উপশম হবে, সে সম্পর্কে কোনও সদুত্তর পাইনি। তাছাড়া আমার বয়ফ্রেন্ডের ফোরস্কিন বেশ মোটা। এই বয়সে এরকম একটা অপারেশন ঝুঁকিবহুল নয় তো? কোনও ওষুধ ব্যবহার করে কি সুফল পাওয়া যেতে পারে?
নাম ও ঠিকানা প্রকাশে অনিচ্ছুক

প্রথম দু’তিনবার ইন্টারকোর্সের সময় ব্যথা হওয়াটা অস্বাভাবিক নয়। যদি দু’জনের কারও শারীরিক জড়তা থাকে কিংবা অর্গাজ়ম ঠিকমতো না হয়, তা হলেও ব্যথা লাগতে পারে। ইন্টারকোর্সের সময় ছেলেদের ফোরস্কিন পিছনে চলে আসার কথা, কিন্তু এক্ষেত্রে তা কোনওভাবে আটকে যাচ্ছে। তাই সারকামসিশন অপারেশন প্রয়োজন। তাছাড়া এটি খুব সাধারণ অপারেশন। ভয় পাওয়ার কোনও কারণ নেই এবং বয়সও কোনও বাধা নয়। সময়মতো এই অপারেশন করিয়ে না নিলে পরবর্তীকালে তোমাদের যৌনজীবনে সমস্যা হতে পারে। আর ওষুধ দ্বারা এই সমস্যার সমাধান হবে না।

আমার ২০ বছর বয়স। দু’বছর যাবত আমি একটি মেয়েকে ভালবাসি। সমস্যা হল, আমার গার্লফ্রেন্ডের সেক্স করাতে আপত্তি রয়েছে। আমাদের মধ্যে হালকা শারীরিক সম্পর্ক হলেও ইন্টারকোর্স হয়নি, যার ফলে আমি ভীষণ ফ্রাসট্রেশনে ভুগছি, মাঝেমধ্যে রেগে যাচ্ছি এবং মাস্টারব্রেশন করছি। বন্ধুদের রিলেশনের গল্প যখন শুনি, তখন আমার হতাশা আরও বেড়ে যায়। তাই অনেকবার ব্রেকআপের কথাও ভেবেছি। কিন্তু পরে মনে হয়েছে, আমি ওকে সত্যিই খুব ভালবাসি। এই অবস্থায় আমি কী করব? প্লিজ় হেল্প!
সম্রাট বসু ই মেল মারফত

তোমার মতো বয়সে অনেকেরই হরমোনের কারণে শারীরিক মেলামেশার একটা অদম্য ইচ্ছে জাগে। এটা দোষের নয়। তবে নিজের মধ্যে নিয়ন্ত্রণ না রাখতে পারলে, মানুষ আর পশুর তফাত কোথায়! তা ছাড়া, শারীরিক সম্পর্ক তৈরি করার আগে দু’জনের এ ব্যাপারে সম্যক জ্ঞান থাকা জরুরি। এই বয়সে শারীরিক সম্পর্কের ইচ্ছে থাকলেও যৌনরোগ সম্পর্কে বা গর্ভনিরোধক পদ্ধতিগুলির সম্পর্কে ধারণা থাকে না, ফলে পরবর্তী সময়ে নানা সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়। কারওর বিনা সম্মতিতে সহবাস করলে আইনি জটিলতাও আসতে পারে। তোমার গার্লফ্রেন্ডের শারীরিক সম্পর্কে আপত্তি থাকলে, তাকে জোর করা উচিত নয়। আর বারবার একই অনুরোধ করে নিজেকে ছোট কোরো না। আর প্রতিটি মানুষের জীবনই আলাদা, তাই বন্ধুদের কথায় হতাশ হওয়ারও কিছু নেই। তা ছাড়া, বন্ধুরা তোমার কাছে কতটা সত্যি তুলে ধরছে, সেটাও কিন্তু তুমি জান না। বরং খেয়াল করলে দেখবে, তোমার এমন অনেক অ্যাচিভমেন্ট রয়েছে, যা বন্ধুদের নেই।