On Stands 19 June ’13
বঙ্কিম চৌধুরী, মালদহ
সানস্ক্রিন ব্যবহার করার আগে, নিমযুক্ত ফেসওয়াশ দিয়ে ভাল করে মুখ পরিষ্কার করে নিয়ে অ্যাসট্রিনজেন্ট লাগিয়ে নেবে। এর পর জেল-বেস্ড বা ওয়াটার-বেস্ড সানস্ক্রিন লাগাতে হবে। এ ছাড়া বাজারচলতি অ্যান্টি-অ্যালার্জিক সানস্ক্রিনও ব্যবহার করতে পার। এতেও সমস্যা না কমলে, অবশ্যই ত্বক বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিতে হবে।
‘স্ক্রাব’ এই শব্দটা আমরা সকলেই কানে শুনে বেশ পরিচিত। কিন্তু আমরা অনেকেই জানি না এই জিনিসটা আসলে কী, এটা খায় নাকি মাথায় দেয়! আরে, এত মাথা চুলকোনোর কোনও দরকার নেই, চলো এবার তাহলে স্ক্রাবার নিয়েই একটু খোঁজ খবর চালাই।
স্ক্রাবার এমন একটা জিনিস, যা ত্বকের মৃত কোষকে সরিয়ে ফেলতে সাহায্য করে, এককথায় এক্সফোলিয়েশনে সাহায্য করে। এর ফলে ত্বকের রুক্ষতা ও শুষ্কতা চলে যায়। ত্বকে নতুন কোষ তৈরি হয় এবং ত্বক হয়ে ওঠে উজ্জ্বল ও চকচকে। কিন্তু আমরা মুখের ত্বকে স্ক্রাব করলেও হাত এবং পায়ের ত্বকের প্রতি প্রায়ই উদাসীন থাকি। এটা কিন্তু একদমই ঠিক নয়। মুখের সঙ্গে-সঙ্গে আমাদের হাত ও পায়ের ত্বকেরও স্ক্রাব করা প্রয়োজন, এতে ত্বকের ট্যান চলে যায় এবং হাত ও পায়ের ত্বক হয়ে ওঠে মসৃণ ও উজ্জ্বল। কিন্তু সালঁতে গিয়ে নিয়মিত হাত-পায়ের স্ক্রাব করব, এমন ট্যাঁকের জোর সবসময় থাকে না। তাই বাড়িতে বসেই ঘরোয়া উপায়ে স্ক্রাবার তৈরি করার কিছু উপায় খঁুজে পেলাম।
টোম্যাটো ও চালের গুঁড়োর স্ক্রাবার
বাড়িতে হাতের কাছে আতপ চাল বা বাসমতি চাল থাকেই। এক কাপ চাল একঘন্টা ভিজিয়ে রেখে সেটা গুঁড়ো করে নেব। এর পর তিন থেকে চারটে টম্যাটো পেস্ট করে রাখব। এর পর চালের গুঁড়ো ও টোম্যাটো পেস্ট একসঙ্গে মিশিয়ে একটা প্যাক তৈরি করে সেটা হাতে ও পায়ে লাগিয়ে হালকা ম্যাসাজ করে কুড়ি মিনিট রেখে দেব। অবশেষে জল দিয়ে হাত ও পা ভাল করে ধুয়ে নিয়ে টোনার লাগাব।
এ ছাড়া আখরোট বাদামের গুঁড়ো ও মধু একসঙ্গে মিশিয়ে সেই মিশ্রণটি স্ক্রাবার হিসেবে ব্যবহার করতে পারি।

