UnishKuri
Web3.jpg

বিভিন্ন ধরনের এক্সারসাইজ়

মেদ বেড়ে যাওয়ার সমস্যা হোক বা মাস্ল বিল্ড আপ করার চেষ্টা, যা-ই করতে চাই না কেন, সলিউশন হিসেবে সবসময়ই প্রথম স্থানে থাকে এক্সারসাইজ়। টোন্ড বডি পেতে গেলে এক্সারসাইজ়ের যে কোনও বিকল্প নেই, সেটা আমরা সকলেই জানি। তবে অনেকসময়ই কোন এক্সারসাইজ় করলে তার কী সুফল পাব, সেটা আমরা জানি না। সেই জন্যই ‘১৯ ২০’দের জন্য থাকল প্রাথমিক এক্সারসাইজ় গাইড।

এক্সারসাইজ়

অ্যারোবিক এক্সারসাইজ়

এই ধরনের এক্সারসাইজ় করলে মাংসপেশি মজবুত হয় এবং হৃদযন্ত্র আরও ভাল থাকে। এই এক্সারসাইজ়ের মধ্যে থাকলে হার্ট প্রতিটি স্পন্দনে আরও বেশি রক্ত পাম্প করতে পারে, ফলে হার্টের শক্তি ও কার্যকরিতা আরও বেড়ে যায়। এর ফলে শরীরের বিভিন্ন টিস্যুতে বেশি পরিমাণ অক্সিজেন পৌঁছে যায় আর আমাদের আরও ফিট অ্যান্ড স্ট্রং বানায়। ইনটেন্স অ্যারোবিক এক্সারসাইজ়ের আগে ওয়ার্ম আপ করাটা জরুরি। হাঁটা, জগিং, সাইক্লিং বা স্কিপিং, এগুলো হল অ্যারোবিক এক্সারসাইজ়। সুতরাং এটা খুব সহজেই আমরা করতে পারি। এক্সারসাইজ়ের পরেও একটু জিরিয়ে নেওয়া খুব দরকার, কারণ রেস্ট নিলে বডি এক্সারসাইজ়টা অ্যাবজ়র্ব করতে পারে। তবে হাই ব্লাড প্রেসার বা ডায়াবেটিস রুগিদের এই এক্সারসাইজ় এড়িয়ে চলাই ভাল।

 

অ্যানঅ্যারোবিক এক্সারসাইজ়

এই এক্সারসাইজ় পেশির শক্তি এবং সহ্যক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে। বডি বিল্ডিং করতে চাইলে অ্যানঅ্যারোবিক এক্সারসাইজ়ের শরণাপন্ন হওয়াটা তো মাস্ট। পাশাপাশি বাড়তি মেদ ঝড়ানো এবং বডি টোন করার জন্যও খুব উপযোগী। ওয়েট লিফ্টিং, সিটআপ, পুশআপ, স্কোয়াটের মতো এক্সারসাইজ় এই ধরনের মধ্যেই পড়ে। পাশাপাশি ফাংশনাল ট্রেনিং, ওয়েট ট্রেনিং, এবং স্প্রিন্টিংয়ের মতো ম্যাসকিউলার অ্যাক্টিভিটিও এই অ্যানঅ্যারোবিক ঘরানারই অন্তর্গত।

 

ফ্লেক্সিবিলিটি এক্সারসাইজ়

পেশি আর জয়েন্টের ফ্লেক্সিবিলিটি বাড়াতে এই ধরনের এক্সারসাইজ় করা হয়। স্ট্রেচিং আর বেন্ডিং ফ্লেক্সিবিলিটি ট্রেনিংয়ের সবচেয়ে সহজ পদ্ধতি। মাংসপেশির আড়ষ্টতা এবং জয়েন্ট পেন প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে এই এক্সারসাইজ়। এই ধরনের এক্সারসাইজ়ের মাধ্যমে বাড়িতে বসে ফিটনেস বজায় রাখা খুব ইজ়ি। তাই এক্সারসাইজ়ের বাজারে এটা একেবারে হিট।

 

কিছু ইজ়ি ফ্লেক্সিবিলিটি এক্সারসাইজ় দেওয়া হল,

সোজা হয়ে পা সামনের দিকে স্ট্রেচ করে বসব। ডান পাঁ ভাঁজ করে বাঁ পায়ের পিছনে নিয়ে যাব। বাঁ পা সোজাই থাকবে। এবার বাঁ হাত দিয়ে ডান পায়ের উপর এমনভাবে রাখব, যাতে বাঁ হাতের কনুই দিয়ে ডান পাকে আরও ঠেলা যায়। ডান হাত মাটিতে রেখে নিজেকে সাপোর্ট দেব। ২-৩ মিনিট এই অবস্থায় থেকে অন্য সাইডে এক্সারসাইজ়টা রিপিট করব।

 

এক পায়ের উপর ভর দিয়ে দাঁড়াব। অন্য পায়ের গোড়ালি হাত দিয়ে ধরে পিছনদিকে কোমরের কাছে নিয়ে আসব। কোমরটা বাইরের দিকে ঠেলার চেষ্টা করব। থাই মাটির সঙ্গে পারপেন্ডিকুলার থাকবে। ২-৩ মিনিট এই অবস্থায় থেকে আবার রিপিট করব।

   Our other magazine
sananda