UnishKuri
Web2.jpg
জ্যাঠামি ইজ় অ্যান আর্ট, যদি ঠিকঠাক পার

 

আমি ব্যাপারটা হয়তো একটু বেশিই থাকে এই ‘আমি’দের মধ্যে। আমরা ছেলেরা সারাদিন শুধু আমার কী ভাল লাগছে, আমি কী পছন্দ করি, আমার কথা কে শুনল না, এইসব ছোটখাটো ব্যাপার নিয়ে ভেবে মরি। কিন্তু ছেলে মানেই কি শুধু জ্যাঠামি? না করারও অবশ্য কিছু নেই। তবে যদি জ্যাঠামি করতেই হয়, তা হলে ভালভাবে করতে হবে। জ্যাঠামিটা একটা স্টাইল অফ আর্ট। চলো দেখে নিই, জ্যাঠামি করার ডু’জ় অ্যান্ড ডোন্টস।

 

যদি হামবড়াই করতেই হয়, তা হলে সব ব্যাপারেই করব। শুধু বন্ধুদের কাজে দৌড়ে গেলাম আর সারারাত কোচিং-এ থেকে পুজোর কাজ তুলে দিলাম, তাতেই জ্যাঠামি শেষ নয়। বরং বাড়ির কাজেও এই স্বভাবটা বজায় রাখতে হবে। যেমন, বাবার হাত থেকে বাজারের থলিটা নিয়ে বেরতে পারি। মায়ের পছন্দের কিছু খাবার এনে দিতে পারি।

 

গার্লফ্রেন্ডকে দেখানোর বেলা ‘আমি’ এই, ‘আমি’ সেই বলে রাস্তার ছোকরাদের উপর হম্বিতম্বি করলে হবে না। সত্যিই খারাপ পরিস্থিতিতে পড়লে পাশের মানুষটাকে সেই পরিস্থিতি থেকে উদ্ধার করার গাট্স রাখতে হবে।

 

ক্লাসে হাত তুলে সকলের আগে সব পড়ার উত্তর বললেই চলবে না। রাস্তাঘাটে কেউ কারও সঙ্গে অন্যায় আচরণ করলে সেখানেও মুখ খুলতে হবে।

 

টেকফ্রিক হয়ে, পাকামি করে বাড়িতে অ্যানড্রয়েড ফোন, স্কাইপ কানেকশন নিলেই চলবে না। তার সঙ্গে নিজেকেও ততটাই টেকনিক্যালি সাউন্ড বানাতে হবে যাতে এই স্কাইপ বা অ্যানড্রয়েড সম্পর্কে কেউ জিজ্ঞেস করলে দু’চারলাইন উত্তর দিতে পার।

 

বুঝলে বন্ধুগণ! পাকামি, জ্যাঠামি ইজ় নট সো বাড়াবাড়ি, যদি আমরা তা ঠিকঠাক করতে পারি।

   Our other magazine
sananda