UnishKuri
Web1.jpg

আমি বর্তমানে নিউট্রিশন অনার্সের থার্ড ইয়ারের ছাত্রী। নিউট্রিশন নিয়ে পোস্ট গ্র্যাজুয়েট ডিপ্লোমা কোথায় করানো হয়? এ বিষয়ে শিক্ষাগত যোগ্যতা এবং কাজের সুযোগ কী কী আছে, তা জানালে ভাল হয়।

কোয়েলি সাঁতরা (ই মেল মারফত)

নিউট্রিশন নিয়ে পোস্ট গ্র্যাজুয়েট ডিপ্লোমা করানো হয় এরকম কয়েকটি প্রতিষ্ঠান,

অল ইন্ডিয়া ইনস্টিটিউট অফ হাইজিন অ্যান্ড পাবলিক হেল্থ

১১০ চিত্তরঞ্জন অ্যাভেনিউ, কলকাতা ৭০০০৭৩

ওয়েবসাইট : www.wbhuhs.org

ইন্ডিয়ান ম্যানেজমেন্ট ট্রেনিং অ্যান্ড রিসার্চ ইনস্টিটিউট

পিবি ৮১৮, আনন্দনগর, জলন্ধর সিটি -১৪৪০০৮ (পঞ্জাব)

শ্রীরামচন্দ্র মেডিক্যাল কলেজ অ্যান্ড রিসার্চ ইনস্টিটিউট

১, রামচন্দ্র নগর, পরুর, চেন্নাই- ৬০০১১৬

ইউনিভার্সিটি অফ মুম্বই

এম জি রোড, মুম্বই ৪০০০৩২

সাধারণত নিউট্রিশন অ্যান্ড ডায়েটেটিক্স, ফুড সায়েন্স, হোম সায়েন্স, হোটেল ম্যানেজমেন্ট, কোটারিং টেকনোলজি, মাইক্রোবায়োলজি, বায়োকেমিস্ট্রি এমনকী মেডিসিন সায়েন্স নিয়ে গ্র্যাজুয়েট হলেও পরবর্তীকালে নিউট্রিশন নিয়ে পোস্ট গ্র্যাজুয়েট স্তরে ডিপ্লোমা করা যেতে পারে।

নিউট্রিশনিস্ট হিসেবে কাজ করার প্রধান ক্ষেত্রগুলো হল, ফুড সার্ভিস, ইনস্টিটিউশনাল কেটারিং, হেল্থ কেয়ার রিসার্চ এবং ডেভেলপমেন্ট, সোশ্যাল ওয়েলফেয়ার ইত্যাদি। তবে এছাড়াও বড়-বড় হোটেল বা রেস্তরাঁয় মেনু প্ল্যানার বা ফুড প্রিপারেশন মনিটরিংয়ের কাজেও নিউট্রিশনিস্ট-এর প্রয়োজন হয়ে থাকে। এছাড়াও, স্কুল, কলেজ, অফিস-ক্যাফেটেরিয়ায় ব্যালান্সড ফুড বা মিল তৈরি করার জন্য যে ইনস্পেকশন বা মনিটটরিংয়ের কাজ প্রয়োজন হয়, সেখানেও নিউট্রিশনিস্ট হিসেবে কাজ করার সুযোগ মেলে। বিভিন্ন হেল্থ কেয়ার ইনস্টিটিউট-এ বিভিন্ন ধরনের রোগীর প্রয়োজন অনুযায়ী ফুড প্ল্যানিংয়ের কাজেও নিউটেরিশনিস্টদের যথেষ্ট চাহিদা রয়েছে।


আমি বর্তমানে একাদশ শ্রেণির ছাত্রী। পরবর্তীকালে শিক্ষিকা হতে চাই। এর জন্য আমায় কীভাবে পড়াশোনা এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে?

অনিন্দিতা চট্টোপাধ্যায়মাঝের গ্রাম, নদিয়া

তুমি যে বিষয়ের শিক্ষিকা হতে চাও, সেই বিষয়ে অন্ততপক্ষে স্নাতক হতে হবে। তবে তুমি স্কুল সার্ভিস কমিশনের পরীক্ষা দেওয়ার জন্য উপযুক্ত বলে বিবেচিত হবে। স্কুল সার্ভিস কমিশনের পরীক্ষার জন্য বি এড এখনও আবশ্যক নয়, তবে বি এড ডিগ্রি থাকলে স্কুল সার্ভিস কমিশনের পরীক্ষায় বাড়তি নম্বর পাওয়া যায়। আবার স্নাতকোত্তর পরীক্ষায় পাশ করেও তুমি স্কুল সার্ভিস কমিশনের পরীক্ষায় বসতে পার। তবে সরকারি (স্পনসর্ড নয়) স্কুলগুলোয় শিক্ষকতার জন্য কিন্তু পাবলিক সার্ভিস কমিশন পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হয়।
এ ছাড়াও, সিবিএসই বোর্ডের স্কুলে পড়ানোর জন্য সেন্ট্রাল টিচার এলিজিবিলিটি টেস্ট (সিটিইটি) পরীক্ষায় বসতে হয়। যদিও বর্তমানে এই পরীক্ষাটি শুধুমাত্র প্রাইমারি (ক্লাস ফাইভ পর্যন্ত) এবং আপার প্রাইমারি (ক্লাস এইট পর্যন্ত) স্তরে শিক্ষক-শিক্ষিকা নিয়োগ করার জন্যই চালু হয়েছে। আবার কেন্দ্রীয় বিদ্যালয়গুলোয় শিক্ষক-শিক্ষিকা নিয়োগ করার জন্য তিনটি স্তরে পরীক্ষা নেওয়া হয়, সেগুলো হল প্রাইমারি টিচার্স (পিআরটি), ট্রেনি গ্র্যাজুয়েট টিচার (টিজিটি) এবং পোস্ট গ্র্যাজুয়েট টিচার (পিজিটি)। তুমি কোন স্তরে শিক্ষকতা করতে চাও, সেই অনুযায়ী তোমাকে পরীক্ষায় বসতে এবং আবেদন করতে হবে। এই ধরনের প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার ক্ষেত্রে সবসময়ই লিখিত পরীক্ষার পর একটি ইন্টারভিউ বা পার্সোনালিটি টেস্ট থাকে।
যদি কলেজের শিক্ষিকা বা লেকচারার পদের জন্য নিজেকে তৈরি করতে চাও, তা হলে অবশ্যই মাস্টার ডিগ্রি থাকতে হবে। তারপর কলেজে পড়ানোর জন্য কলেজ সার্ভিস কমিশন বা ইউনিভার্সিটি গ্র্যান্টস কমিশন আয়োজিত নেট (ন্যাশনাল এলিজিবিলিটি টেস্ট) বা সর্বভারতীয় স্তরের কলেজে পড়ানোর জন্য সেট (স্টেট এলিজিবিলিটি টেস্ট) পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হবে। এই পরীক্ষায় বসার জন্য স্নাতকোত্তর পরীক্ষায় ৫৫ শতাংশের বেশি নম্বর থাকা প্রয়োজন।
এছাড়াও, বিভিন্ন বেসরকারি স্কুলে বা কলেজে শিক্ষক-শিক্ষিকা নিয়োগ করার জন্য কাগজে বিজ্ঞাপন প্রকাশিত হয়। সেগুলোয় যে ধরনের যোগ্যতা চাওয়া হয়, সেই অনুসারে বায়োডেটা-সহ আবেদন করাও যেতে পারে। বিভিন্ন বেসরকারি কলেজেও পার্টটাইম লেকচারার পদের জন্য বিজ্ঞাপন প্রকাশিত হয়। সঠিক সময়ে নিয়মিত খবরের কাগজে নজর রাখতে হবে।


   Our other magazine
sananda